পারভীন উপজেলার সুজালপুর ইউনিয়নের বর্ষা চেঙ্গাইক্ষেত্র গ্রামের শফিকুল ইসলামের স্ত্রী। বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন।

বুধবার প্রসূতি মোছা. পারভীন অসুস্থবোধ করলে সকাল ১০টায় বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

সেখানে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে দুটি ছেলে এবং একটি মেয়ে শিশু জন্মগ্রহণ করে।

শফিকুল ইসলাম জানান, বুধবার সকালে তার স্ত্রীর ব্যথা শুরু হলে তাকে বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনটি শিশুর জন্ম হয়েছে।

বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আফরোজ সুলতানা লুনা জানান, বুধবার সকালে প্রসূতিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।প্রসূতির পরিস্থিতি দেখে আমাদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কারণ তাকে উন্নত চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য বাইরে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি ছিল না। তারপরেও অনেকটা আল্লাহর উপর ভরসা করে তাকে সেবা দিয়েছি আমরা।

কোনো প্রকার অস্ত্রোপচার ছাড়াই দুটি ছেলে এবং এক মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়।প্রসূতির জটিলতা এবং জমজ নবজাতককে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সব রকমের সুধিবা থাকে না। তাই প্রসূতি এবং ৩ নবজাতককে উন্নত চিকিৎসা সেবার জন্য শিশু হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।।