আজ শনিবার সকালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি দেশবাসীকে এইটুকু বলতে চাই, জনগণের সংগঠন হচ্ছে আওয়ামী লীগ, আর আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে আছে এবং সেটা এই দুর্যোগ করোনা মহামারির সময়ও প্রমাণ হয়েছে। জনগণের আস্থা বিশ্বাসটা হচ্ছে আমাদের একমাত্র সম্বল, সেটাই আমাদের শক্তি।

তিনি বলেন, করোনা সংকট এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রশাসনের পাশাপাশি সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মানুষের জন্য আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। মানুষের কল্যাণে সম্পৃক্ত থেকে করোনা কালে পাঁচ শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসীদেরও পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার। তবে প্রধানমন্ত্রীর আক্ষেপ, কিছু মানুষ কাজ নয়, শুধু কথা বলায় পারদর্শিতা দেখাচ্ছে। তারা লিপ সার্ভিস দিয়েছে।

মিডিয়া আছে, আর আমি তো প্রাইভেটে টেলিভিশন দিয়েছি, প্রাইভেটে রেডিও দিয়েছি… অনেক পত্রিকা… যে যার মতো আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে বলেই যাচ্ছে… কিন্তু তাদের মাঠে মানুষের পাশে দেখা যায়নি… তাই কেউ যদি বিচার করে আওয়ামী লীগের যে তারা কতটুকু করল আর কতটুকু করল না, তারা নিজের আয়না দিয়ে চেহারা দেখে না।

আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, আমরা আমাদের পার্টির কাজগুলিও মোটামুটি কিছু কিছু জায়গায় সচল রয়েছে। ইলেকশন গুলি হয়েছে। সেখানে আমি মনে করি, আমাদের সাংগঠনিক কাযর্ক্রম খুব বেশি এখন যাতায়াত না করলেও কিছু সাংগঠনিক কাযক্রমগুলি আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ২০০১ নির্বাচনকালীন থেকে আমরা যদি একটু বিচার করে দেখি, কিভাবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, তাদেরকে একদিকে হত্যা করেছে নারী নির্যাতন করেছে পাশবিক অত্যাচার করেছে, ঘরিবাড়ি দখল করেছে, ঘরবাড়ি পুড়িয়েদিয়েছে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করেছে ধ্বংস করেছে, ভূমি অফিস পুড়িয়েছে, বাস ট্রাক লঞ্চসহ বিভিন্ন যানবাহন পুড়িয়েছে।কিন্তু সেগুলি আমরা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি।

সবাইকে আমরা সহযোগিতা করেছি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত এখনো তাদের খোঁজ নিচ্ছি। এবং যেখানে যতটুকু পারি তাদের সাহায্য আমরা করে যাচ্ছি বলে জানান তিনি।