শিরোনামঃ

» ইমিগ্রেশনে থার্মাল স্ক্যানার মেশিন অচল, নেই স্বাস্থ্যকর্মী

প্রকাশিত: ০১. ফেব্রুয়ারি. ২০২০ | শনিবার


আজিজুল ইসলাম: বাংলাদেশের বেনাপোল আন্তজার্তিক ইমিগ্রেশন দিয়ে প্রতিদিন ৫ হাজারেরও বেশি দেশী ও বিদেশী নাগরিক ভারতে যাতায়াত করছে। বর্হিগমন যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্তা না থাকলেও আগমনকারী যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরিক্ষার জন্য ইমিগ্রেশন চত্তরে একটি থার্মাল মেশিন স্থাপন করা হয়েছে গত কয়েক বছর আগে। এ মেশিন দিয়ে আগমন যাত্রীদের দেহে কোন ভাইরাস জ্বর আছে কি না তা নির্ণয় করা হয়। মেশিনের সামনে একটি টেবিল ও একটি চেয়ার থাকলেও কোন স্বাস্থ্যকর্মীকে খুঁজে পাওয়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বন্দর ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রামন নিয়ে এই মুহুর্তে সারা বিশ্ব আতংক গ্রস্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতোমধ্যে জরুরী সর্তকতা জারী করেছে। বাংলাদেশের প্রতিটি ইমিগ্রেশনে করোনা ভাইরাস সংক্রামনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে কয়েক দিন আগে থেকেই। বেনাপোল আন্তাজার্তিক ইমিগ্রেশনের থার্মাল স্ক্যানার মেশিনটি নাম কাওয়াস্তে চলছে দীর্ঘ দিন ধরে। ভারত থেকে আসা কোন যাত্রীকেই এ থার্মাল স্ক্যানার মেশিন দিয়ে স্ক্যানিং করা হচ্ছে না। ফলে বেনাপোল আন্তজার্তিক ইমিগ্রেশন হয়ে করোনো ভাইরাস ছড়ানোর ঝুকি রয়েছে বহুগুনে। বাংলাদেশের দেশ ট্রাভেলসের ম্যানেজার সনি, এস আলম পরিবহনের ম্যানেজার মিনহাজুল ইসলাম,সোহাগ পরিবহনের ম্যানেজার শহিদুল ইসলামসহ একাধিক পরিবহনের ম্যানেজার জানান, আন্তজার্তিক ইমিগ্রেশনের ভিতরে থার্মাল স্ক্যানারটি সঠিকভাবে ব্যবহার না হওয়ার কারণে বেনাপোল সীমান্তে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার আশংষ্কা খুবই বেশি। কারণ প্রতিদিন এ বন্দর দিয়ে ৫ হাজারের অধিক যাত্রী দেশের বাইরে ও দেশের ভিতরে প্রবেশ করে থাকে। অনেক যাত্রী আছে চীনসহ অন্যান্য দেশ ভ্রমণ করে এ ইমিগ্রেশন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তাছাড়া স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে যাত্রীদের সচেতনতায় নেওয়া হয়নি কোন প্রচার-প্রচারণার ব্যাবস্থা। বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার জাহাঙ্গির হোসেনের কাছে থার্মো স্ক্যানার মেশিনের টেবিলে কোন স্বাস্থকর্মী না থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন,থার্মাল স্ক্যানিং মেশিনটি দীর্ঘ দিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে। যে কারণে এখানে স্বাস্থ্যকর্মীরা থাকছেন না। তবে থার্মলা স্ক্যানিং মেশিনটি সচল হলে স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিত থাকবে বলে তিনি জানান। বেনাপোল ইমিগ্রেশন কাস্টমস সুপারেনন্ডেন্ট হান্নান মিয়ার কাছে ভারত থেকে আগমণ যাত্রীদের শরীরে করোনো ভাইরাস পরীক্ষা করা হচ্ছে কি না তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগমণও বর্হিগমণ যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগের। তাই কোন যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা হচ্ছে কি না তা বলতে পারবে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্র্তারা। তবে এতটুকু বলা যায়, বেনাপোলে এই মুহুর্তে করোনো ভাইরাস পরীক্ষা করা একান্ত প্রয়োজন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৯৩ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
বিশেষ প্রতিনিধি: যশোর জেলার শার্শা উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়নের শিকারপুর গ্রামের…