রোববার রাত থেকে শাকের চিশতীর জ্বর। খাবারের স্বাদ-গন্ধ পাচ্ছেন না তিনি। অক্সিজেন স্যাচুরেশনও কমে আসে। শাকের চিশতী দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেন। ছুটে যান একটি সরকারি হাসপাতালে। করোনার পরীক্ষা শেষে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।

এরআগে, করোনা আক্রান্ত মাকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি করেন শাকের। বন্ধু ও স্বজনদের নিয়ে মা কবরীর শেষ বিদায়ের কাজটিও সম্পন্ন করেন। এর দুইদিন পর করোনার উপসর্গ দেখা দেয় তার।

শাকের গণমাধ্যমে জানান, তার বুকের সিটিস্ক্যান করা হয়েছে। সিটিস্ক্যানের সেই রিপোর্ট এখনও হাতে পাননি।

গত ৫ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিষ্টি মেয়ে’ কবরী রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে ৮ এপ্রিল তাকে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। ১৭ এপ্রিল রাত ১২টা ২০ মিনিটে সেখানেই মারা যান কবরী।

পাঁচ ছেলের মধ্যে বড় তিন ছেলে দেশের বাইরে এবং ছোট ছেলের অটিজমের সমস্যা থাকায় মাকে দেখার দায়িত্ব পড়েছিল শাকের চিশতীর ওপর।