প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে স্কুল বন্ধ।  এটি সত্যিই যে কোনো শিশুর জন্য খুব কষ্টকর। হয়তো এ রকম অস্বাভাবিক অবস্থা থাকবে না। তবু আমি তাদের বলব– মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করতে হবে। ঘরে বসে পড়ালেখা কর।

পড়ালেখার পাশাপাশি শিশুদের অঙ্কন-শরীরচর্চা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, যে আর্ট করতে পারে, যে খেলাধুলা করতে পারে, সে সেটি করবে। নিজেদের ব্যস্ত রাখতে হবে। যখন স্কুল খুলবে, তখন তারা আবার ভালোভাবে স্কুলে যাবে।

কোভিড-১৯ থেকে বাঁচতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারও নির্দেশনা দেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, আমি হয়তো মাস্কটা পরে বক্তৃতা দিচ্ছি না। কারণ আমার আশপাশে কেউ নেই। আমি একাই আছি। যারা আছেন, অনেক দূরে। সে জন্য আমার এটি সুবিধা আছে। কিন্তু যেখানে বেশি লোক সেখানে আমি নিজেও সবসময় মাস্ক পরে থাকি।

এ সময় গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকার শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্স প্রান্ত থেকে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে বক্তব্য দেয় আট বছরের নীলকাব্য।

ভিডিও কনফারেন্সে ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল ও কলেজ প্রাঙ্গণ প্রান্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র প্রান্তে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান রকিবুর রহমান, সংগঠনটির মহাসচিব ও সংসদ সদস্য মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।