শিরোনামঃ

» করোনা এবং উপসর্গ নিয়ে খুলনা করোনা হাসপাতালে আরো ১১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ১৯. জুন. ২০২১ | শনিবার

বেত্রাবতী ডেস্ক।।খুলনা করোনা হাসপাতালে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। কঠোর বিধিনিষেধ দিয়েও কমছে না করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের হার।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা এবং উপসর্গ নিয়ে খুলনা করোনা হাসপাতালে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খুলনা করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ও খুমেক হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আটজন করোনা আক্রান্ত এবং তিনজন উপসর্গ নিয়ে।

খুলনা করোনা হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটজনের মৃত্যু হয়।

এরা হলেন- খুলনার রূপসার আবুল হোসেন (৬০), নগরীর লবনচরা এলাকার শাহজাহান (৪৯), যশোর কেশবপুরের মিজানুর রহমান (৫৮), কেশবপুরের আলেয়া (৬০), সাতক্ষীরার কলারোয়ার সাবদুল (৫১), কলারোয়ার আব্বাস গাজী (৬২), কালিগঞ্জের শেখ আইয়ুব আলী (৫৮) ও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মিনারা বেগম (৫৫)। এছাড়া উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতালে সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৫৫ জন রোগী ভর্তি ছিল। যার মধ্যে রেডজোনে ৯৫ জন, ইয়ালোজোনে ২১ জন, এইচডিইউতে ২০ জন এবং আইসিইউতে ১৯ জন চিকিৎসাধীন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪১ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৪ জন।

এদিকে শুক্রবার (১৮ জুন) রাতে খুমেক পিসিআর ল্যাবের পরীক্ষায় ১৭১জনের করোনা পজিটিভ এসেছে।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ জানান, খুমেকের পিসিআর মেশিনে ৪৪৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৭১ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে।

যার মধ্যে খুলনার ৩৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১৪৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া বাগেরহাটের আটজন, যশোরের পাঁচজন, সাতক্ষীরার দুইজন, নড়াইলের একজন, পিরোজপুরের একজন, গোপালগঞ্জ তিনজন, মাগুরার একজন ও ফরিদপুর জেলার একজন রয়েছে।

প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিল বেড়ে চলছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই মাস্কের অবস্থান থুতনি পর্যন্ত। অনেকে আবার মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তাই অনুভব করছেন না। বাজার, শপিং মল, এলাকার শারীরিক দূরত্ব মানছেন না।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬১ বার

[hupso]