দেশের বৃহত্তম এই করোনা হাসপাতালটিতে সকাল থেকে রোগী ভর্তিসহ সব চিকিৎসা সুবিধা পাবেন আক্রান্তরা।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এই হাসপাতালটি উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, প্রত্যেকটি বেডেই হাই-ফ্লো অক্সিজেন সাপ্লাইয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিটি বেডে আমরা হাইপোনেজাল ক্যানোলা, অক্সিজেন কনসান্ট্রেটর ব্যবহার করব অর্থাৎ হাসপাতালের ৫০০ বেডই আইসিইউ বেড সমতুল্য।

ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই হাসপাতালে যারা আসবেন, তারা অন্যান্য হাসপাতালের মতোই স্বল্প মূল্যে সেরা চিকিৎসা পাবেন।’

প্রাথমিকভাবে ৫০টি আইসিইউ, ৫০টি ইমারজেন্সি, ১৫০টি সাধারণ শয্যা এবং ১৩০ জন চিকিৎসক ও ৩০০ নার্স নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও এক মাসের মধ্যে এটিকে এক হাজার শয্যায় নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা কর্তৃপক্ষের। এ ছাড়া রোগীদের জন্য রয়েছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা।