শিরোনামঃ

» করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই উদ্বোধন করা হবে জবির বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল

প্রকাশিত: ০৮. অক্টোবর. ২০২০ | বৃহস্পতিবার

জবি প্রতিনিধি।।একাধিকবার মেয়াদ বৃদ্ধিতে প্রায় ১০ বছর সময়ক্ষেপণের পর সম্পন্ন হওয়ার পথে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হল ‘বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল’ এর নির্মাণ কাজ। কিছু কাজ বাকি থাকলেও হলটি ছাত্রীদের জন্য থাকার উপযোগী বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
দেশের করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ক্যাম্পাস খুললেই উদ্বোধন করা হবে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এই হলটি।
জানা যায়, এর আগে এ প্রকল্পের প্রথম দফায় মেয়াদ ছিল ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত।
কাজ শেষ না হলে বাড়ে দ্বিতীয় মেয়াদ ২০১৩ সালের জুন থেকে ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত। এরপর তৃতীয় দফায় মেয়াদ ২০১৬ সালের জুন থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
সর্বশেষ ২০১৮ সালের জুন থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। আরও জানা যায়, ১৬ তলা বিশিষ্ট এ হলে এক হাজার ছাত্রীর থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাত হোসেন বলেন, আমাদের কনস্ট্রাকশনের কাজ প্রায় শেষ। প্রশাসন চাইলে আমরা আমাদের কাজ বুঝিয়ে দেব।
এদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ হলের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা যায়।
শিক্ষার্থীদের জন্য বিশবিদ্যালয়ের একমাত্র এ হল চালু হলে অবসর সময়ে গান-আড্ডা ও দলবদ্ধ পড়াশোনায় ক্যাম্পাস সবসময় মুখরিত থাকবে বলেও তারা মনে করেন।
অন্যদিকে হলের সিট পাবার আশায় নিজ এলাকার পরিচিত বিভিন্ন বড় ভাই ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের সাথে শিক্ষার্থীরা লিঙ্ক লবিং ও যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী হলে ছাত্রী উঠানো হবে।
হলে ছাত্রী উঠানোর ব্যাপারে হল প্রভোস্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এস. এম. আনোয়ারা বেগম বলেন, ক্যাম্পাস খুললে আমরা হলে ছাত্রী উঠাবো। ইতিমধ্যে কয়েকটি বিশ্ব বিদ্যালয়ের হলের নীতিমালা সংগ্রহ করেছি। সেগুলো অনুযায়ী আমরা একটা নীতিমালা প্রণয়ন করব এবং ঐ নীতিমালা অনুযায়ী হলে ছাত্রী উঠানো হবে।
সবকিছুই একটা নীতি অনুযায়ী চলে। এখানেও এর ব্যতিক্রম ঘটবে না। কোন ধরনের প্রভাব খাটিয়ে হলের সিট পাওয়া যাবে না বলেও তিনি এসময় মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের মত আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও কিছু নীতিমালা রয়েছে। সে নীতিমালা অনুযায়ী হলে ছাত্রী তোলা হবে। তবে কবে নাগাদ করোনা পরিস্থিতি ভাল হবে তার উপর নির্ভর করবে হলে ছাত্রী তোলা।
সেগুলো অনুযায়ী আমরা একটা নীতিমালা প্রণয়ন করব এবং ঐ নীতিমালা অনুযায়ী হলে ছাত্রী উঠানো হবে। সবকিছুই একটা নীতি অনুযায়ী চলে। এখানেও এর ব্যতিক্রম ঘটবে না। কোন ধরনের প্রভাব খাটিয়ে হলের সিট পাওয়া যাবে না বলেও তিনি এসময় মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের মত আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও কিছু নীতিমালা রয়েছে।
সে নীতিমালা অনুযায়ী হলে ছাত্রী তোলা হবে। তবে কবে নাগাদ করোনা পরিস্থিতি ভাল হবে তার উপর নির্ভর করবে হলে ছাত্রী তোলা।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫৯ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
বিশেষ প্রতিনিধি।। মোল্লাহাটে সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ি মাছের ওজন বৃদ্ধিতে…