শিরোনামঃ

» কলারোয়ায় ব্যাটারী চালিত ভ্যানের এলইডি লাইটের কারণে সন্ধ্যার পরে ঘটছে দুর্ঘটনা

প্রকাশিত: ২৩. ডিসেম্বর. ২০২০ | বুধবার

আতাউর রহমান।। কলারোয়া উপজেলা জুড়ে ব্যাটারী চালিত অটোভ্যানে ব্যবহৃত এলইডি লাইটের প্রভাবে সন্ধ্যার পর রাস্তা ঝাপসা দেখা যাওয়ায় প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা।

সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর সদর ও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীন রাস্তায় সমূহে অটোভ্যানের এলইডি হেডলাইটের আলো বড় আপদ হিসেবে দেখা দিয়েছে। যা রাতে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহন এবং পথচারী দের চোখে তীব্র প্রতিক্রিয়া ঘটায়। কেন না রাতের বেলা ব্যাটারি চালিত অটোভ্যানে ব্যবহৃত এলইডি হেড লাইট ব্যবহার হওয়ার ফলে বিপরীত দিক থেকে চলাচল করা অন্যান্য গাড়ী, মটরসাইকেল, এলইডি (ঝাপসা) হেড লাইটের কড়া আলোয় কিছুই দেখা যায় না এর ফলে বড় ধরনে দূর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

উপজেলায় ব্যাপক ভাবে ব্যাটারী চালিত অটোভ্যান বৃদ্ধি পেয়েছে। পায়ে চালিত ভ্যান আর দেখা মেলে না। যার ফলে তৈরী হয়েছে অত্যাধিক যানজট এবং রাতের বেলা পৌর সদর ও আশপাশের এলাকায় এসব যানবাহনের এলইডি হেডলাইটের কারণে চলাচল করা দুঃসহ হয়ে উঠেছে। কারণ এলইডি (ঝাপসা) হেডলাইটের তীব্র আলো বিপরীত প্রান্তের যান সড়কের প্রকৃত অবস্থান বুঝতে না পারায় বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যাত্রীরা।

সোনাবাড়িয়া অটোভ্যান চালক মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘অটোর আসল হেডলাইট ব্যবহার হলে চার্জ খরচ বেশী হয়, হেডলাইডের বাল্ব নষ্ট হলে এলইডি (ঝাপসা) হেডলাইট ব্যবহার করা হয়, ফলে কম খরচে বেশী আলো ও লাভ করা যায়। এলইডি (ঝাপসা) লাইট রাতে ব্যবহারে সামনে কোন অটো আসলে শুধু ঝাপসা দেখা যায়, তখন দূর্ঘটনা এড়াতে ধীরে গাড়ী চালাতে হয়’।

মনিরুল ইসলাম নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী বলেন, ‘অটোভ্যানের অত্যাচারে রাতে মোটরযান চালানো খুব অসুবিধা হয়ে পড়েছে, সামনে অটো আসলে হেডলাইটের আলোয় কিছুই দেখা যায় না, চোখ একদম ঝাপসা হয়ে আসে, তখন কিছুই দেখা যায় না, সামনে বড় গাড়ী আসতেছে নাকি ছোট গাড়ী তা নিয়ন্ত্রন করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে করে আমাদের নিয়মিত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।বিষয়টি নিয়ে আমরা বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেছি কিন্তু কোন ব্যবস্হা আজও গ্রহন করেননি।

কলারোয়ায় এখন অনেকেই মোটরসাইকেল, অটোরিক্সা, পিকআপসহ বিভিন্ন যানে ওই তীব্র ঝাপসা এলইডি লাইট ব্যবহার করেন। বড় ধরনের দূর্ঘটনা এড়াতে তীব্র ঝাপসা এলইডি লাইটের ব্যবহার অবিলম্বে নিষিদ্ধ করা এবং এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য থানা ও উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন সাধারন মানুষ।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪৩ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
আসাদুজ্জামান নয়ন।।  যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ৮ ও ৯নং…