শিরোনামঃ

» কাজিপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য প্রদানের অভিযোগ

প্রকাশিত: ০২. জুন. ২০২১ | বুধবার

মিজানুর রহমান মিনু কাজিপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।। অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতিকে পাশ কাটিয়ে একক সিদ্ধান্তে ওই প্রধান শিক্ষক কাজ করতে গেলে বাধা পেয়ে তিনি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করেন।

এই ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার গান্ধাইল ইউনিয়নের বরইতলা পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

এই ঘটনায় বুধবার ( ২ জুন) দুপুরে বরইতলা পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সাংবাদিকদের ডেকে সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহবান জানান পরিচালনা কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ফজলুর রহমান বেলাল।

লিখিত বক্তব্যে বেলাল জানান, ‘ ওই বিদ্যালয়টির সংস্কারের লক্ষ্যে একাই ঘরটি ভাঙ্গার জন্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা।

সভাপতি নজরুল ইসলাম বিষয়টি জানতে পেরে ওই প্রধান শিক্ষককে দিক নির্দেশনা দিলে তিনি তা পালনে অসহযোগিতা করেন। পরে বিদ্যালয় ভবন ভাঙ্গার জন্যে কাজিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী মধ্যস্থতা করেন।

এসময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি এ সংক্রান্ত রেজুলেশনে স্বাক্ষর করেন। বিধি মেনে ওই বিদ্যালয় ভবন ভাঙ্গার কাজটি পান উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাজু আহম্মেদ। তিনি সরকারি কোষাগারে নির্ধারিত অর্থ জমা দিয়ে বেলাল হোসেনের মাধ্যমে বিদ্যালয় ভবনটি ভেঙ্গে সরিয়ে নেন।

এরই মধ্যে গত সোমবার (৩১ মে ) ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা বিধি বহির্ভূতভাবে বিদ্যালয় ভবনের টয়লেট ও টিনের চালা ভাঙ্গা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের তথ্য প্রদান করলে স্থানীয় পত্রিকায় নিউজ হয়।

এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানান, এখানে দুটো গ্রুপ রয়েছে। এ কারণে সমস্যা হচ্ছে। সাংবাদিককে তথ্য প্রদান করেননি উল্লেখ করে তিনি জানান, নিলামে টিনের চালা ও টয়লেট ভাঙ্গার উল্লেখ নেই।

এ বিষয়ে আমি মৌখিকভাবে ইউএনও স্যার ও শিক্ষা অফিসারকে জানিয়েছি।

কাজিপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার হাবিবুর রহমান জানান, ‘ নিয়মানুযায়ী নিলাম হয়েছে।সভাপতি এবং প্রধান শিক্ষক দুজনেই ওই পত্রে স্বাক্ষর করেছেন।এর পরেও এ নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্যে নিউজ হয়েছে জানতে পারলাম,এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেবো।

কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, নিয়মের বাইরে কোন কিছু করার এবং বলার সুযোগ নেই। শিক্ষা অফিসারকে সরেজমিন খোঁজ নিতে বলেছি।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১২৬ বার

[hupso]