শিরোনামঃ

» ঝিকরগাছায় পুত্র বধুর সাথে শ্বশুরের অনৈতিক কর্মকান্ড দেখেই পুত্রের আত্মহত্যা

প্রকাশিত: ০৮. জুলাই. ২০২১ | বৃহস্পতিবার

বিল্লাল হুসাইন।। যশোরের ঝিকরগাছায় পুত্রবধুর সাথে শ্বশুরের অনৈতিক কর্মকান্ড দেখে ফেলায় আত্মহত্যা করেছে ছেলে জনি হোসেন (২০) নামের এক যুবক।

নিহত জনি হোসেন ঝিকরগাছা উপজেলার ১০নং শংকরপুর ইউনিয়নের বকুলিয়া গ্রামের জামির হোসেনের ছেলে।

সরেজমিনে,নিউজ অনুসন্ধানে গেলে এলাবাসী জানায়, গত ২ বছর আগে শার্শা উপজেলার সাতমাইল মাঠপাড়া এলাকার ইভা নামের এক মেয়ের সাথে বিয়ে হয় জনির। বিয়ের এক বছর পর থেকে শ্বশুর জামির হোসেনের সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে গৃহবধূ ইভা ।

বিষয়টি পরিবারের লোকজন কিছুটা আচ করলেও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না পাওয়ায় বিষয়টি আমলে নেয়নি কেউ।

গত (৭-৭-২১ইং)তারিখ বুধবার সকালে কাজ থেকে বাড়ি ফিরে স্ত্রীর সাথে পিতার অনৈতিক কর্মকান্ড দেখে ফেলে জনি। পরে পিতার সাথে কথা কাটা কাটির এক পর্যায়ে জনি হোসেন বাজার থেকে বিষ কিনে পান করলে প্রত্যক্ষদর্শীরা উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার্ড করেন। যেতে যেতে পথিমধ্যেই দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে সন্তানের মৃত্যুর খবর শুনে বাবা জামির হোসেন ও স্ত্রী ইভা খাতুন কৌশলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে গেলে আরও জানা যায় এ ঘটনার আরো একটি গোপনীয় তথ্য, যেটার গভীর ভাবে গোপনীয়তা থাকলেও গোপন ক্যামেরায় বেরিয়ে এসেছে কিছু গোপনীয় সত্য কথা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বলেন, পুত্রবধুর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ড সন্তানের কাছে ধরা খাওয়ার পর কিছুটা হাতাহাতি হয় পিতা পুত্রের মাঝে।

এলাকা বাসীর মুখে ছড়িয়ে পড়েছে সন্তানের মুখে বিষ ঢেলে খাওয়ায়ে দিয়ে মেরে ফেলেছে নরপশু ও পাষন্ড পিতা। নিজের কুকর্মকে ঢাকতে এবং বিষয়টি যাহাতে বাহিরে না আসে সে জন্য নরপিশাচ জামির হোসেন স্ত্রীকে(জনির মাকে) সম্পত্তির লোভ দেখিয়ে মুখ বন্ধ করে দেন।

সন্তানের করুণ মৃত্যু এবং স্বামীর অনৈতিক কর্মকান্ডে যখন গোটা এলাকার মানুষ স্তব্ধ, তখন সামান্য সম্পত্তির লোভে প্রকৃত সত্য ঘটনা মিডিয়া সহ কারো কাছে জানাতে নারাজ জনির মমতাময়ী পাষন্ড মা।

জানতে চাইলে, ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩১৮ বার

[hupso]