শিরোনামঃ

» দাবদাহের পর নামতে পারে বজ্রবৃষ্টি

প্রকাশিত: ১৮. মে. ২০২১ | মঙ্গলবার

বেত্রাবতী ডেস্ক।।দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই। আজ তাপের এ তীব্রতা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সবমিলিয়ে তীব্র দাবদাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া দেশের একাধিক এলাকায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ মে) দুপুরে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ ঢাকা পোস্টকে জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইতোমধ্যে দেশের অনেক স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ কোথাও কোথাও তা আরও বাড়তে পারে। দক্ষিণাঞ্চলে বিশেষ করে খুলনা, যশোরে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা বেশি।

তিনি জানান, তবে দেশের অনেক স্থানেই ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়া দেশের অন্যান্য অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

এদিকে রাঙামাটি, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, রাজশাহী, পাবনা এবং সিরাজগঞ্জ জেলাসহ ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে।

এ তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। কোথাও কোথাও তীব্র দাবদাহ বয়ে যেতে পারে। পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থায় সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে ৩৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় ছিল ৩৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া দেশের মোংলা, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল, গোপালগঞ্জ, রাঙামাটি, ঈশ্বরদী, রাজশাহীসহ বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে টাঙ্গাইলে ৩০ মিলিমিটার।

এছাড়া ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, বদলগাছী, রাজশাহীসহ বিভিন্ন স্থানে ঝোড়োহাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে।

ঢাকায় সকালে বাতাসের গতি ও দিক ছিল দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিমি। আর সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল ৯২ শতাংশ। সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৭১ বার

[hupso]