শিরোনামঃ

» দীর্ঘ ১০ বছর পর মোংলা পৌর নির্বাচন।।কর্মী সমর্থদের মাঝে বইছে খুশির আমেজ

প্রকাশিত: ২০. ডিসেম্বর. ২০২০ | রবিবার

মাসুদ রানা,মোংলা।।দীর্ঘদিন পর মোংলা পোর্ট পৌরসভা নির্বাচন ঘোষনা করায় প্রার্থী, ভোটার আজ সমর্থদের মাঝে বইছে খুশির আমেজ।

নির্বাচন ঘোষনার পর পরই পৌরবাসীর মাঝে ছিল আনন্দ উল্লাস। ২০ ডিসেম্বর রোববার এ নির্বাচনের ছিল মনোনয়ন পত্র জমার শেষ দিন।

তাই উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে আওয়ামীলীগসহ অন্যান্য দলের মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা মোংলা নির্বাচন অফিসে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেও বিএনপি সমার্থীত প্রার্থী সকালে বাগেরহাট জেলায় ও বিকালে উপজেলা নির্বাচন অফিসে তার মনোয়ন পত্র জমা দেন। তবে স্বতন্ত প্রাথী মোংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতিসহ ৫জন মেয়র পদে প্রতিদন্ধীতা করার জন্য মনোনয়ন দাখিল করেন।

রোববার ২০ ডিসেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টায় জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান।

এর আগে সকালে দলীয় নেতাকর্মিদের সাথে নিয়ে জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র  জুলফিকার আলী। পরে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পুনরায় মোংলা নির্বাচন অফিসারের কাছে আরো একটি মনোনয়ন পত্র জমা দনে মেয়র জুলফিকার। তার সাথেও উপজেলা ও জেলার বিভিন্ন স্তরের উর্ধতন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় দুই প্রধান দলের প্রার্থীসহ ৫জন মেয়র পদে মনোনয়ন জমা দেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে।

এদিকে স্বতন্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন মোংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব এইচ এম দুলাল। মোংলা বন্দরসহ প্রথম শ্রেনীর পৌরসভায় উন্নতি করার সাথে সংশ্লিষ্টতা থাকার দাবী নিয়ে তিনি বিজয়ী হওয়ার আশাবাদী।

এ ছাড়া সকাল থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন সাধারন ও স্বতন্ত্র সহ ৪৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরের মনোনয়ন জমা দেন ১৪জন নারী প্রার্থী। তবে এবারের নির্বাচনে জয়ের জন্য পুর্ন আশাবাদী প্রধান দুই দলেরই মেয়র প্রার্থীরা।

পৌরসভা নির্বাচনে আগামী ২২ ডিসেম্বর প্রার্থিতা বাছাই, এরপর ২৯ ডিসেম্বারের মধ্যে প্রত্যাহার ও ০০প্রতীক বরাদ্ধ এবং ১৬ জানুয়ারী সকাল ৮টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ৩১ হাজার ৫২৮ জন ভোটার রয়েছেন।

বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব জুলফিকার আলী জানান, দ্বিতীয় শ্রেনীর পৌরসভাকে প্রথম শ্রেনীতে উন্নিত করেছি। এ পৌরসভা প্রতি মাসে দু’দুবার পানিতে তলিয়ে যেত কিন্ত আমি নির্বচিত হওয়ার পর মোংলা পোর্ট পৌরসভাকে ডিজিটাল আর আধুনিক পৌরসভায় রুপান্তিত করেছি। মেয়র থাকাকালীন যে উন্নয়ন আমি পৌরবাসীকে দেখিয়েছি তা এখানকার বসবাসকারীরা চিরদিন মনে রাখবে। আমার বিশ্বাস পৌরবাসীকে যে সেবা আমি প্রদান করেছি তাতে আমি বিজয়ী হবো ইনশাআল্লাহ।

আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনিত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ, তিনি আমাকে নৌকা প্রতিক দিয়ে পৌরসভার নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। আশা করি মোংলা পৌরবাসী প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নৌকা প্রতিকের মর্যাদা রাখবেন। আমি এ নির্বাচনে বিজয়ী হলে পৌরবাসীর দেয়া সম্নান অক্ষুন্নসহ তাদের সেবা করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করছি বলেও জানান মেয়র প্রার্থী শেখ আঃ রহমান।

উল্লেখ্য, জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারী মোংলা পোর্ট পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর পর থেকে সিমানা জটিলতার কারনে নির্বাচন আটকে ছিল প্রায় ১০ বছর। আর যার কারণে বর্তমান মেয়র টানা ১০ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছে। ওই নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীকে পরাজিত করে ৭হাজার ৯৫৮ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয় চার দলীয় সমর্থিত প্রার্থী পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক জুলফিকার আলী।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৯৮ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
আতাউর রহমান।। কলারোয়ার সীমান্তবর্তী কাদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক জনের মৃত্যু…