এদিকে, ভারতের চাহিদা পূরণ না করে রপ্তানি বন্ধ, দেশটির এমন সিদ্ধান্তে দোষের কিছু দেখছেন না ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক প্রধান।

তিনি বলেন, ‘হার্ড ইমিউনিটির জন্য ভারতে কমপক্ষে ত্রিশ কোটি ভ্যাকসিন দরকার তাই এখনই রপ্তানি যৌক্তিক নয়।’

সোমবার বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘টিকা পাওয়া নিয়ে ‘কোনো অনিশ্চয়তা নেই’। আমাদের সঙ্গে তাদের (সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া) নিয়মিত যোগাযোগ আছে। আজও বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। আমরা নিশ্চিত আমাদের সঙ্গে যেভাবে চুক্তি হয়েছে সে অনুযায়ী, সে সময়েই আমরা ভারত থেকে টিকা পাবো।’

চুক্তিতে কী আছে জানতে চাইলে রাব্বুর রেজা বলেন, ‘সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে আমাদের চুক্তি অনুযায়ী, টিকা বাংলাদেশে অনুমোদন পাওয়ার পর এক মাসের মধ্যে আমরা প্রথম লটের টিকা পাবো।’

তিনি জানান, ‘ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ডের অনুমোদনের জন্য গত বৃহস্পতিবারই তারা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে কাগজপত্র জমা দিয়েছেন।

সোমবার তারা টিকার অনুমোদনের জন্য আবেদন করবেন।’

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার তিন কোটি ডোজ কিনতে গত ৫ নভেম্বর সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি মাসে টিকার ৫০ লাখ ডোজ পাঠাবে সেরাম ইনস্টিটিউট। আর ভারত থেকে টিকা এনে বাংলাদেশে সরবরাহের জন্য গত অগাস্টে সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় দেশের ওষুধ খাতের শীর্ষ কোম্পানি বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস।

সেই চুক্তি অনুযায়ী, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস বাংলাদেশে সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত ভ্যাকসিনের ‘এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটর’।