শিরোনামঃ

» পুলিশে কোনোভাবেই দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না– আইজিপি

প্রকাশিত: ১৫. নভেম্বর. ২০২০ | রবিবার

বেত্রাবতী ডেস্ক।।পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, করোনায় জনগণের সেবায় পুলিশ যেভাবে পেশাদারিত্ব ও মানবিকতা দেখিয়েছে তা দেশ-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

দেশের জনগণও অকুণ্ঠচিত্তে পুলিশকে এর প্রতিদান দিয়ে তাদের মনের মণিকোঠায় স্থান দিয়েছে। তাই পুলিশের কোনো সদস্য ড্রাগ গ্রহণ করবে না, ড্রাগের ব্যবসা করবে না, ড্রাগ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পর্কও রাখবে না।

রোববার (১৫ নভেম্বর)  সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস-এ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে (ডিএমপি) কর্মরত কনস্টেবল, নায়েক ও এএসআইদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি একথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত আইজি ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী, এসবি প্রধান মীর শহীদুল ইসলাম, সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

পুলিশপ্রধান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আনুকূ‌ল্যে গত ১০ বছরে বাংলাদেশ পুলিশ অনেক দূর এগিয়েছে। আমাদেরকে যেতে হবে আরও বহুদূর। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

পুলিশ সড়ক-মহাসড়কে, শিল্প কারখানায় নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হয়েছে। বিদেশিরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছে, ব্যবসা করছে, দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।’

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে বড় ইউনিট ও ‘ফেস অব পুলিশ’ আখ্যায়িত করে আইজিপি বলেন, ‘ডিএমপিতে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের কর্মদক্ষতা ও আচরণের ওপর পুলিশের ভাবমূর্তি অনেকাংশে নির্ভর করে।’

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স পুর্নব্যক্ত করে আইজিপি বলেন, ‘পুলিশে কোনোভাবেই দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।

যারা দুর্নীতি করে বড় লোক হতে চায়, তাদের জন্য পুলিশের চাকরি নয়। ‌সেবাপ্রার্থী বা জনগণ‌কে কো‌নো প্রকার হয়রা‌নি বা নির্যাতন করা যা‌বে না। মানুষ‌কে ভালোবে‌সে হা‌সিমু‌খে সেবা দি‌তে হ‌বে।’

বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘আমরা জনগণের কাছে যেতে চাই। সারাদেশকে ছয় হাজার ৯১২টি বিটে ভাগ করে বিট পুলিশিং চালু করা হয়েছে। এতে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে এবং সংশ্লিষ্ট বিটের আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।’ আইজিপি বলেন, ‘পুলিশের নিয়োগ ও বদলির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনা হয়েছে।’

ড. আহমেদ বলেন, ‘পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বেড়েছে, পাশাপাশি তাদের প্রত্যাশাও অনেক। জনগণের সাথে ভালো আচরণ করতে হবে, মানবিক আচরণ করতে হবে। পাশাপাশি দৃঢ়তার সাথে আইন প্রয়োগ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে ইতিমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। চিকিৎসাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালকে বিশেষায়িত হাসপাতালে পরিণত করা হচ্ছে। ঢাকায় আরেকটি পুলিশ হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালগুলো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।

পুলিশ সদস্যদের সন্তানদের লেখাপড়ার সুবিধার্থে আটটি বিভাগীয় সদরদপ্তরে মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা এবং ইংরেজি উভয় মাধ্যমে পড়াশোনার ব্যবস্থা থাকবে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫২ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
বাগেরহাট সংবাদদাতা।।রামপালে জমি সংক্রান্ত বিরোধর জের ধরে এক গৃৃৃহবধূ ও…