শিরোনামঃ

» বঙ্গোপসাগরে ঘুর্নিঝড়ের আভাস,উপকুলীয় মানুষদের সচেতন থাকতে বললেন উপমন্ত্রী

প্রকাশিত: ২০. মে. ২০২১ | বৃহস্পতিবার

সবুজ হাওলাদার,মোংলা।।মোংলাসহ উপকুলীয় এলাকায় চরম ঝুঁকির মধ্যে থাকা মানুষের জান-মাল রক্ষায় সকলকে সচেতন থেকে দ্রুত কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার।

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যে কোন মুহুর্তে ঘুর্নিঝড়ে রুপ নিতে পারে, তাই এখনই সকলকে সাবধান হয়ে চলাচলসহ সচেতন ও সব বিষয় ব্যবস্থা না নেয়া হলে মারাত্নক অবস্থার সৃষ্টি হওয়ার আশংকা রয়েছে বলে জানায় উপমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার মোংলা উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেস মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ ব্যবস্থা কমিটির সাধারন সভায় উপমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেয়।

প্রধান অতিথি পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার ছাড়াও উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, সহকারী কমিশনার ভুমি নয়ন কুমার রাজ বংশী, মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জিবেতোষ বিশ্বাস, প্রকল্প কর্মকর্তা নাহিদুজ্জামান, উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা আনোয়ারুল কুদ্দুস, ঘুর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসুচি সিপিপি’র উপজেলা টিম লিডার মাহমুদ হাসান, সদস্য সুদিপ মন্ডল, উপজেলার সকল উনিয়নের চেয়ারম্যানগনসহ উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেস মজুমদার বলেন, সাগরে ণঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, তাই ঘুর্নিঝড়ে রুপ নিতে পারে। আমরা সর্বদিকে প্রস্তুত রয়েছি, ঘুর্নিঝড় বা যে কোন দুর্যোগকালীন সময় মোংলাসহ উপকুলীয় মানুষদের পাশে উপমন্ত্রীসহ উপজেলা প্রশাসন সচেতন রয়েছে এবং সর্বক্ষনিক মানুষের জন্য ভাবে কাজ করে যাবো।

এদিকে, সুন্দরবনে বন্য প্রানী হত্যা ও পাচার হওয়ার খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করে উপমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবন আছে বলেই আমরা বেচে আছি, দুর্যোগের হাত থেকে আমরা বার বার বেচে যাই। আমার জানা মতে সুন্দরবনের খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

এ সময় সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার ভূমিহীন জেলেদের কাছে কীটনাশক বিক্রি বন্ধ করা ও বিষ দিয়ে মাছ ধরা বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর অভিযান জোরদার করারর আহবান জানান তিনি।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩৮ বার

[hupso]