শিরোনামঃ

» বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি চালু রেখে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ আরো বাড়ল

প্রকাশিত: ১৬. জুলাই. ২০২১ | শুক্রবার

বেনাপোল প্রতিনিধি।।করোনাভাইরাস পরিস্থিতি বিবেচনায় বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি চালু রেখে ভারতের সঙ্গে স্থল সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ আরেক দফা বাড়ছে।

চলমান এ মেয়াদ নতুন করে বাড়িয়ে ৩১ জুলাই পর্যন্ত করা হচ্ছে।

ফলে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। তবে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশী দের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে আগের নিয়ম বলবৎ থাকবে।

ভারত থেকে ফেরত আসাদের ক্ষেত্রে ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন থেকে এনওসি, কোভিড সনদ লাগবে, সপ্তাহে তিনদিন (রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার) আসার অনুমতি পাবে ও ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) সকালে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি আহসান হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সীমান্ত বন্ধের পত্র হাতে পেয়েছি। সীমান্ত বন্ধের কারণে প্রথম থেকে এপথে যাত্রী যাতায়াত বন্ধ রয়েছে। তবে সীমান্ত বন্ধের আগে যারা দুই দেশে আটকা পড়েছিল তারা দূতাবাসের ছাড়পত্র নিয়ে ফিরছেন। যাদের কাছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পত্র থাকছে এমন কিছু যাত্রী ভারত ভ্রমণ করছেন।

তিনি বলেন, গত ২৬ এপ্রিল দেশটির সঙ্গে ১৪ দিনের জন্য সব ধরনের সীমান্ত বন্ধ করে বাংলাদেশ। পরবর্তীতে সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ কয়েক দফায় বাড়ানো হয়।

সর্বশেষ ১৩ জুলাই পররাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষণায় ৩১ জুলাই পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধ রাখার কথা বলা হয়।

ভারতে আটকাপড়া বাংলাদেশীরা শর্ত মেনে দেশে ফিরতে পারবেন এবং সেই সাথে সীমান্ত বন্ধ থাকলেও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

যশোরের জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান বলেন, বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে গত ২৬ এপ্রিল থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত ভারতে আটকেপড়া ৬ হাজার ৩২৯ জন বাংলাদেশি যাত্রী ফেরত এসেছেন।

এর মধ্যে ১৪২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়েছে। আর ভারত থেকে করোনা সংক্রমণ (পজিটিভ) নিয়ে এসেছেন ১৩ জন বাংলাদেশি যাত্রী।

একই সময়ে ভারত থেকে এসেছে ৪১ জনের মৃতদেহ। চিকিৎসা নিতে গিয়ে এসব বাংলাদেশিরা ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে মারা যান। কোয়ারেন্টিনে অবস্থানকালীন অন্যান্য দুরোরোগ্য রোগে মারা গেছেন ৫ জন।

বেনাপোল, ঝিকরগাছা ও যশোরের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫৩৯ জন। যশোরের বাইরে অন্যান্য জেলায় আছেন ১০ জন।

এদের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটিন শেষে বাসায় ফিরে গেছেন ৫ হাজার ১৭৭ জন। করোনা পজিটিভ ২১২ জনকে যশোর ২৫০ শষ্যা বিশিস্ট জেনারেল হাসপাতালের ডেডিকেটেড ইউনিটে রেখে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। যশোরের বাইরে অন্য হাসপাতালের করোনা জোনে পাঠানো হয়েছে ২৮৮ জনকে।

 

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩৬ বার

[hupso]