শিরোনামঃ

» ব্যাপক জালিয়াতি অনিয়ম দূর্নীতি করে কোটিপতি শার্শার সেতাইয়ের কামরুল মেম্বর!

প্রকাশিত: ০৭. ডিসেম্বর. ২০১৯ | শনিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ব্যাপক অনিয়ম, দূর্নীতি, জালিয়াতি ও সাধারণ মানুষদেরকে ঠোকিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ও পুলিশের সোর্স হিসাবে কাজ করে মাত্র অল্প সময়ে কোটিপতি বনে গেছেন শার্শার গোগা ইউনিয়নের সেতাই গ্রামের কামরুল মেম্বর। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

কামরুল মেম্বর আতংকে মানবতার জীবন যাপন করছেন অনেকে। জানা গেছে, যশোরের শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়নের সেতাই গ্রামের মেম্বর কামরুল হাসান মেম্বর হওয়ার পর থেকে একের পর এক জালিয়াতি, অনিয়ম, দূর্নীতি, পুলিশের সোর্স হিসাবে কাজ করে ও সাধারণ মানুষদের ঠোকিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

সম্প্রতি শার্শার উলাশীতে তক্ষক সাপ প্রতারকচক্রের সদস্য শাহাবুদ্দিনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। অর্ধকোটি টাকাসহ আটক প্রতারকের স্বীকারোক্তিতে এঘটনায় কামরুল মেম্বর প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত আছেন বলে জানাগেছে। প্রতারকচক্রের সদস্য শার্শার সেতাই গ্রামের কামরুল মেম্বারসহ আরও কয়েক জনকে খুঁজছে ডিবি পুলিশ। কথিত তক্ষক সাপের হাড় বিক্রির অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন কামরুল মেম্বর নিজেই।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ নভেম্বর বিকেলে যশোরে অর্ধকোটি টাকাসহ আটক ৩ প্রতারককে জিজ্ঞাসাবাদে এই চক্রের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। শার্শা অঞ্চলের কারা এই প্রতারণা কাজের সাথে জড়িত তা জানতে পারে ডিবি পুলিশ। পরে খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, কথিত তক্ষক সাপের হাড় বিক্রির বাকি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভাগবাটোয়ারা হয়ে গেছে।

এর মধ্যে প্রতারকচক্রের শার্শা অঞ্চলের অন্যতম সদস্য সেতাই গ্রামের কামরুল মেম্বর মোটা অংকের টাকার ভাগ পেয়েছেন। সূত্র জানায়, উলাশীর জনৈক ওহাবের বাড়িতে হাড় বিকিকিনি হয়। এর সাথে ওহাব, কামরুল মেম্বর, মিলন ও সমন্ধকাটি গ্রামের মৃত দাউদ আলী দপ্তরীর ছেলে শাহাবুদ্দিন জড়িত।

এছাড়া কামরুল মেম্বর জালিয়াতি ও প্রতারণা করে সাধারণ মানুষকে ঠোকিয়ে মাত্র অল্প সময়ে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। উপজেলার বাগআঁচড়ার ঘোষপাড়া ও সেতাই গ্রামে তিনি তৈরি করেছেন আলিসান বাড়ি। তার স্বনামে বেনামে রয়েছে অঢেল জমি জায়গা। দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা আছে কয়েক কোটি টাকা। অথচ ধূর্ত কামরুল মেম্বরের পূর্বে এক সময় নুন আনতে তার পানতা ফুরাতো। ভাঙ্গাচুরা বাড়িতে বসবাস করতেন।

এ ব্যাপারে জালিয়াতি চক্রের হোতা কামরুল মেম্বরের ০১৭৪৮-২৫৯৬৬১ নম্বর মুঠো ফোনে বার বার ফোন দিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। এলাকাবাসী ধূর্ত কামরুল মেম্বরের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এনবিআর, দুদক সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৯০৪ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
বিয়ে ভীতি বলতে যা বোঝায় তা হচ্ছে বিয়ের নাম শুনলেই ভয়…