শিরোনামঃ

» মাদক মামলার জব্দ মোটরসাইকেল জালিয়াতি করে ছাড়ানোর চেষ্টার অভিযোগে বিচারকের মামলা

প্রকাশিত: ০৮. জুন. ২০২১ | মঙ্গলবার

বেত্রাবতী ডেস্ক।।যশোরের শার্শায় মাদক মামলায় মোটর সাইকেল জাল জালিয়াতি করে জিম্মায় নেয়ার চেষ্টার অভিযোগে হুমায়ুন নামে এক ব্যক্তিকে আসামি করে যশোর অতিরিক্ত চিপ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মারুফ আহমেদ এ মামলা করেছেন।

সোমবার সদর জুডিসিয়াল আমলী আদালতের বিচারক সাইফুদ্দীন হোসাইন অভিযোগ গ্রহণ করে আগামী ৪ জুলাই নিয়মিত আদালত খোলা সাপেক্ষে গ্রেফতারি পরোয়ানা আদেশের ব্যাপারে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

অভিযুক্ত হুমায়ুন শার্শার বসতপুর গ্রামের মৃত শামছুদ্দীনের ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, শার্শা থানার জিআর-১১১/২১ মামলায় জব্দকৃত মোটরসাইকেল (যশোর-হ-১৩-৮৮১৩) গাড়িটি জিম্মায় নেয়ার জন্য হুমায়ুন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আবেদন করে।

গত ৯ মে এ আবেদন গ্রহন করে বিচারক বিআরটিএ’র মাধ্যমে মোটরসাইকেলের মালিকানা যাচায় করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা বিআরটিএ’র মাধ্যমে মালিকানা যাচাই-বাছায় করে জব্দকৃত মোটরসাইকেল (যশোর-হ-১৩-৮৮১৩) গাড়িটি প্রকৃত মালিক চৌগাছার শফিকুল ইসলাম।

মোটরসাইকেলটি জিম্মায় পাওয়ার আবেদনকারীর জমাকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায় গাড়ির রেজিস্ট্রেশন অনুযায়ী মালিক বাঘারপাড়ার আশরাফুল ইসলাম।

তদন্তে আরও দেখা যায় আবেদনকারী হুমায়ুন দেয়া রেজিস্ট্রেশন সনদের সাথে ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বরের কোন মিল নেই।

আবেদনকারী হুমায়ুন মিথ্যা তথ্য ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারণা করে মোটর সাইকেলটি হস্তগত করার চেষ্টা করেছে আদালতের নজরে আসে।

ফলে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক সোমবার আদালতে এ মামলা করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ শার্শার বসতপুর গ্রামের সাতমাইল-গোগা রাস্তার জনৈক সাহেব আলীর বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে বসতপুর গ্রামের কবিরুলকে আটক করে।

এ সময় তার কাছ থেকে ১০ পিচ ইয়াব ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ মামলায় তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি জব্দ করা হয়েছিল।

এ মোটরসাইকেল জিম্মায় নিতে হুমায়ুন প্রতারণার মাধ্যমে জালজালিয়াতি করে আদালতে থেকে জিম্মায় নেয়ার চেষ্টা করেছিল।

 

 

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৯ বার

[hupso]