শিরোনামঃ

» মোংলায় বন্যার্তদের পাশে উপমন্ত্রী

প্রকাশিত: ২৭. মে. ২০২১ | বৃহস্পতিবার

সবুজ হাওলাদার,মোংলা।। পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেছেন-ঘুর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ এর তান্ডভ থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলো সুন্দরবন সংলগ্ন মোংলার উপকুলবাসী।

বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে এবারও রক্ষা করলো মায়ের মতো সুন্দরবন। তার পরেও যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারা দুঃখ বা কষ্ট নিবেন না। আমি এবং খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আঃ খালেক যতদিন বেচেঁ থাকবো মোংলা-রামপালে একটি মানুষও না খেয়ে বা গৃহহীন থাকবেনা, এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতিশ্রুতী। যতটুকু ক্ষতি উপজেলাবাসীর হয়েছে তা পুশিয়ে উঠার ব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ।

মোংলায় জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সহায়তা প্রদান কালে তিনি একথা বলেন। ঘুর্ণিঝড় ইয়াস’র তান্ডবে ৩টি ইউনিয়নে ৫১০টি কাঁচা ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এসময় উপজেলার চিলা, চাঁদপাই ও বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ৬শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। এরই মধ্যে বুধবার থেকেই উপজেরা পরিষদের পক্ষ থেকে এসব অসহায় পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার ও খিচুড়ি বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপমন্ত্রী প্রতিটি ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে বন্যার্ত মানুষদের শান্তনা দেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।

এদিকে, সরকারী ভাবে সহায়তা ছাড়াও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মোংলা উপজেলার বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রান সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার।

অন্যদিকে, ঘুর্ণিঝড় ইয়াস’র তান্ডরে পশুর নদীর পানি সাভাবিকের তুলনায় ৫ থেকে ৬ ঠুট বৃদ্ধি পাওয়ায় ভেসে গেছে উপজেলার ৬৮৫টি ঘেরের চিংড়ি মাছ। এতে এখানকার মৎস্য চাষিদের সব মিলিয়ে ক্ষতি হয়েছে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা বলে ধারোনা মৎস্য বিভাগের।

মৎস্য চাষিরা অভিযোগ করে বলেন, বুধবার দুপুরে যখন ভেরীবাধ ভেঙ্গে আমাদের মৎস্য ঘের তলিয়ে যায়, তখন বার বার মৎস্য অফিসকে ফোনের মাধ্যমে জানানো চেষ্টা করেও অফিসারদের কাউকেই পাওয়া যায়নি।

ওই সময় এ সকল অসহায়দের পাশে শুধু মাত্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভুমি), ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সিপিপি সেচ্ছাসেবদেরাই তাদের পাশে রয়েছে।

এ ছাড়াও এবারের ঘুর্ণিঝড়ে সুন্দরবনের দুবলা, কটকা, কচিখালী ও করমজল বন্যপ্রানী প্রজনন কেন্দ্রেও বেশ ক্ষতি হয়েছে। মারা গেছে কয়েকটি মায়াবি হরিণ বলে জানিয়েছে বনবিভাগ।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৭৬ বার

[hupso]