শিরোনামঃ

» মোংলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে করাত মিল ফেলে পালালো মালিকরা !

প্রকাশিত: ২৬. ডিসেম্বর. ২০২০ | শনিবার

মাসুদ রানা,মোংলা।।এক দিকে লাইন্সেস বিহীন আর অন্য দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন ১০ কিলো মিটারের মধ্যে করাত কল (স-মিল) স্থাপন করে বনের কাঠ চেড়াই করার অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে বনবিভাগ।

শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে বন সংলগ্ন মোংলা উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের মোল্লারহাট এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

এসময় বন বিভাগের সদস্য ও নির্বাহী ম্যাজিট্ট্রেট দেখে মিল ফেলে পালিয়ে যায় মালিকরা।

বন সংলগ্ন এলকাকার ১০ কিলোমিটারের মধ্যে বেশ কয়েকটি করাত কল (স-মিল) গড়ে ওঠে, যা দিয়ে অন্যান্য কাঠের মধ্যে অবৈধ ভাবে বনের মুল্যবান কাঠ এনে তা চেড়াই করে নিয়ে পাচার করছে কিছু অসাধু ব্যাবসায়ীরা।

এমন অভিযোগে তিনটি মিলে অভিযান চালায় পুর্ব সুন্দরবনের চাদঁপাই রেঞ্জ’র বন রক্ষিরা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

শনিবার দুপুরে এ অভিযান টের পেয়ে করাত মিলের মালিক সাহেবের মেঠ মোল্লার হাট এলাকার আবু বক্কর, মোল্লা বোরহান উদ্দিন ও মহসিন মোসাল্লী পালিয়ে যান।

এ তথ্য জানিয়ে পূর্ব সুন্দরবনের চাদঁপাই রেঞ্জ’র সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এনামুল হক বলেন, পালিয়ে যাওয়া তিন করাত মিলের (স-মিল) মালিক দীর্ঘদিন বিনা লাইন্সেসে অবৈধভাবে মিল চালাচ্ছিলেন। তার ওপর আবার সুন্দরবনের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এ মিল স্থাপন করেছেন।

সরকারের এমন আদেশ অনুযায়ী সুন্দরবনের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে কোন করাত কল (স-মিল) স্থাপন করা যাবেনা এমন আদেশে অভিযান চালানো হয়।

এ তিন মিল মালিকের বিরুদ্ধে বন বিভাগের জিউধারা ষ্টেশন কর্মকর্তা ফরেষ্টার নুরুল আফসার বাদী হয়ে ১৯৮৭ সালের ২৬ (১)-(ক) ধারায় বন আইনে মামলা করা হয়েছে।

এদিকে অভিযানের সময় বন বিভাগের উপস্থিতি দেখে মিলের মালিকরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও রেঞ্জ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে তাদের এ তিনটি মিল খুলে ষ্টেশনে জমা রাখা হয় বলেও জানান রেঞ্জ কর্মকর্তা এসিএফ এনামুল হক।

অভিযানকালে মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কমলেশ মজুমদার, রেঞ্জ কর্মকর্তা এনামুল হক, জিউধারা ষ্টেশন কর্মকর্তা নুরুল আফসার ও চাঁদপাই ষ্টেশন কর্মকর্তা ওবায়দুল্লা উপস্থিত ছিলেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৭৯ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
মাসুদ রানা মোংলা।।ছোট ভাইয়ের কাছে দোকানের পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র…