শিরোনামঃ

» মোংলায় হাজারো মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হলেন মানবতার সেবক শেখ কামরুজ্জামান

প্রকাশিত: ০২. অক্টোবর. ২০২০ | শুক্রবার

মাসুদ রানা, মোংলা।। দীর্ঘ দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে খুলনায় চিকিৎসা শেষে মোংলায় পৌঁছেছেন মানবতার সেবক, তারুণ্যের অহংকার, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম।

 

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪ টায় তিনি মোংলায় পৌঁছলে দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাকে স্বাগত জানান। পরে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করেন আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতারা।

শেখ কামরুজ্জামান জসিম দুই সপ্তাহ আগে তীব্র জ্বর-সর্দি-কাঁশিতে আক্রান্ত হয়ে খুলনার ডক্টরস পয়েন্টে ভর্তি হন। সিটি স্ক্যান’র মাধ্যমে তার করোনা পজেটিভ আসে। তারপর থেকে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন।

সারাদেশে করোনা সংক্রমন যখন দ্রুত চড়িয়ে পড়ে ঠিক সেই মুহূর্তে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের মাননীয় উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহারের নির্দেশক্রমে শেখ কামরুজ্জামান জসিম মোংলা পৌর এলাকার অসহায় কর্মহীন পরিবারের কাছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দেন।

করোনা পরিস্থিতির একজন সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে মোংলা সরকারি হাসপাতালে ডক্টরস সেফটি কর্নার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাদের মাঝে পিপিই, ফেসশিল্ড, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকরন বিতরন করেন তিনি।

মোংলায় শুরু থেকেই যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পৌঁছে দিয়েছেন উন্নত মানের ফল সামগ্রী। মোংলার সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হোমিও ঔষধ ও পিপিই বিতরণ করেছেন তিনি।

পৌর শহরের কিছু মধ্যবিত্ত পরিবার আছে তারা চাইলেও কারো কাছে হাত পাততে পারেনা গোপনে তাদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করে রাতের আঁধারে তাদের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে শহরের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সামনে গোল বৃত্ত অংকন করিয়েছেন। করোনাকালীন সময়ে বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার ইমাম, মুয়াজ্জিন দের খোঁজ খবর রাখার পাশাপাশি তাদের করোনা প্রতিষেধক ঔষধ বিতারন করা হয়েছে।

মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জন্ম নেওয়া এক পিতৃহীন নবজাতকের দায়িত্ব নিয়ে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

পৌরসভার সবগুলো ওয়ার্ডের প্রতিটি এলাকায় জনগনকে করোনা বিষয়ে সচেতন করার পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ ও মাদক বিরোধী লিফলেফ বিতরণ কার্যক্রমেও তার অনেক অবদান রয়েছে।

টানা বর্ষনে যখন পৌর শহরের অধিকাংশ এলাকা ও রাস্তাঘাট ডুবে গিয়েছিল তখন তিনি স্থানীয়দের সাথে পানি নিষ্কাশনসহ রাস্তাঘাট চলাচলের উপযোগী করেন।

করোনাকালে মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়ে তিনি নিজেই করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েন। সবার ভালবাসার সেই মানুষটিই করোনার সাথে যুদ্ধ করে অবশেষে ফিরে এলেন নিজ জন্মস্থান মোংলায়। হাজারো মানুষের ভালোবাসায় অভিষিক্ত হলেন তিনি।

জানতে চাইলে শেখ কামরুজ্জামান জসিম বলেন, জীবনের এই সময়টাতে এসে বুঝেছি, একা থাকার নামই জীবন নয়। সবাইকে নিয়ে বেঁচে থাকার নামই জীবন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫৪ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
বিশেষ প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সাল নাগাদ কর্মক্ষেত্রে নারীর…