শিরোনামঃ

» মোংলা বন্দরের রেকর্ড সৃষ্টি।।এক মাসে ১১৭ বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙ্গর

প্রকাশিত: ০২. জানুয়ারি. ২০২১ | শনিবার

মাসুদ রানা মোংলা প্রতিনিধি।।এক সময়ের মৃত বন্দর আজ লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে মোংলা বন্দরের ১০ নম্বর মুরিং বয়ায় বছরের শেষের দিন নোঙ্গর করে পানামা পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি ওয়াংডা।

গত ২৩ নভেম্বর মরোক্কর জর্জস লাসফার বন্দর থেকে সার নিয়ে জাহাজটি ছেড়ে আসে মোংলা বন্দরে পন্য খালাসের উদ্দেশ্যে।

আর বছরের শেষের মাসে বন্দর নতুন রেকর্ড গড়ে মোংলা সমুদ্র বন্দর। ‘এমভি ওয়াংডাথ দিয়ে পূর্ণ হয় এক মাসে ১১৭ টি জাহাজের আগমন।

বন্দর সৃস্টির গত ৭০ বছরে কোন মাসেই এত বাণিজ্যিক জাহাজ পন্য নিয়ে মোংলা বন্দরে আসেনি। এর আগে ১০০ থেকে ১০৬টি পর্যন্ত জাহাজ বন্দরে আগামন করেছিল।

শুক্রবার (১ জানুয়ারী) মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাষ্টার কমান্ডার শেখ ফকর উদ্দিন দুপুরের দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সম্প্রতি বঙ্গোপসাগর মোহনায় আউটারবার ড্রেজিংয়ের কারণে পুর্বের নাব্যতার সংকট কাটিয়ে বন্দর চ্যানেল এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পাশাপাশি এখানকার আধুনিক সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি হওয়ায় বিদেশিরা এ মোংলা বন্দর ব্যবহারে আগ্রহী হওয়ায় জাহাজে আগমনের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে বলেও জানান তিনি।

হারবার মাষ্টার আরও বলেন, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের মোংলা বন্দরে জাহাজ আগমনের সংখ্যা ছিল ৪১৬ টি, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ছিল ৪৮২ টি, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ছিল ৬২৪ টি, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ছিল ৭৮৪ টি এবং ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে সে সংখ্যা এসে দাড়ায় ৯১২ টিতে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রতিবছরই বন্দরে ১২০ থেকে ১৫০ টি জাহাজ আগমনের সংখ্যা বেড়েছে। সেই ধারবাহিকতায় ২০২১ সালে মোংলা বন্দরে জাহাজের আগমনের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন বন্দর কর্তৃপক্ষের।

এদিকে এক মাসে ১১৭ টি জাহাজ এ বন্দরে নোঙ্গর করার মত ঘটনা এটাই প্রথম। বাণিজ্যিক জাহাজ আগমনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মোংলা।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এ্যাডমিরাল এম মাহজাহান বলেন, আগের মোংলা বন্দর আর এখনের বন্দর অনেক দুরত্ব, কারন এক সময়ের বন্ধ হয়ে যাওয়া মোংলা বন্দর এখন চট্ট্রগ্রাম বন্দরের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে।

বন্দর ব্যাবহারকারীদের সেখানকার সুযোগ-সুবিধা আর মোংলা বন্দরের সুযোগ সুবিধা একই ধারায় চলছে।

এছাড়া ৩০ ডিসেম্বর ইনারবার ডেজিংয়ের কাজের চায়না কোম্পানীর সাথে চুক্তি স্বাক্ষরীত সম্পন্ন হয়েছে, যা চলতি মাসে শুরু হবে। এটি শেষ হলে এ বন্দর আর পিছু তাকাতে হবেনা। এটি একটি পরিবেশ বান্ধব, আধুনিক ও ডিজিটার বন্দরে পরিণত হবে।

এছাড়াও মোংলা বন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের উপযুক্ত বিকল্প বন্দরে পরিণত হবে। তখনই অর্থনৈতিকভাবে মোংলা হবে ব্যাবসায়ীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বন্দর।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১২০ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
কলারোয়া প্রতিনিধি।।কলারোয়ার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের হাজের আলী সরদার তার ছেলেদের বিরুদ্ধে…