শিরোনামঃ

» মোবাইল টাওয়ার থেকে সারা দেশে ওয়াইফাই সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা

প্রকাশিত: ২৩. আগস্ট. ২০২০ | রবিবার

বেত্রাবতী ডেস্ক।।মোবাইল টাওয়ার থেকে সারা দেশে ওয়াইফাই সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। দেশব্যাপী ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ছড়িয়ে দিতে ইতোমধ্যে এই পদ্ধতির নানা দিক পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে এ পদ্ধতির সফলতা ও সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এতে ভালো সাড়া মিললে দেশব্যাপী ওয়াইফাই ছড়িয়ে দেওয়ার প্রকল্প হাতে নেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি ভূমিকা রাখবে বলেই সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।

এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ইতোমধ্যে টেলিটকের টাওয়ার হতে ওয়াইফাই করা যায় কি না তা পরীক্ষা করা হচ্ছে। এটি প্রাথমিকভাবে সফল হয়েছে। এই পদ্ধতির ফলাফল মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

ফলাফল যদি এগিয়ে যাওয়ার মতো হয় তাহলে এটি সারা দেশের মানুষের কাছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে দারুণ ভুমিকা রাখতে পারে।

এর আগে নেত্রকোনার খালিয়াজুরীর কৃষ্ণপুরে টাওয়ার হতে ওয়াইফাই করার এই পরীক্ষা করে টেলিটক। এতে আব্দুল জব্বার রাবেয়া খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ পেয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে সরকার দেশের ১৪৬টি সরকারি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে বিনামূল্যে উচ্চগতির ওয়াইফাই চালুর কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। তবে সেটি মোবাইল টাওয়ার থেকে ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে না। কীভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহজে ইন্টারনেট সেবা দেওয়া যায়, সেজন্যই এ প্রক্রিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

ফ্রি ওয়াইফাই চালু হওয়া প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১০ এমবিপিএস গতির ব্যান্ডউইথ পাবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এক বছর পর্যন্ত বিনামূল্যে এই ব্যান্ডউইথ পাবে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এ ব্যান্ডউইথের খরচ বহন করবে। তবে শিক্ষার্থীরা এ সেবা পাবে বিনামূল্যেই।

ইতোমধ্যে ‘ইন্সটলেশন অব অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল নেটওয়ার্ক অ্যাট গভর্নমেন্ট কলেজ, ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড ট্রেইনিং ইনস্টিটিউট’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে ৫৮৭ সরকারি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে বিনামূল্যে উচ্চগতির ওয়াইফাই দেওয়ার কাজ চলছে। এ জন্য সরকার খরচ করছে ৪৫ কোটি টাকা।

এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৪৩টি, ময়মনসিংহে ৩৫টি, চট্টগ্রামে ১০৭, বরিশালে ৪৫, খুলনায় ৮৩, রাজশাহীতে ৮৫, রংপুরে ৫৬ এবং সিলেটে বিভাগে ৩৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

সবগুলো বিভাগের এসব সরকারি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে তিন লটে অপটিক্যাল ক্যাবল ও যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে।

পর্যায়ক্রমে দেশের সব বেসরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়েও এ সুবিধা স¤প্রসারণ করার কথা রয়েছে। তবে মোবাইল টাওয়ার থেকে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সুবিধা সারা দেশে বিস্তৃত করা গেলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে বলে মনে করছেন তথ্য-প্রযুক্তিবিদরা।

তাদের মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ প্রক্রিয়ায় ইন্টারনেট সেবা চালু আছে। যেসব দেশে এ সেবা চালু আছে, সেদেশের জনগণ কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে অনেক বেশি এগিয়ে আছে।

আমাদের দেশেও যদি এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৭ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
বেত্রাবতী ডেস্ক।।আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫ আগস্ট…