শিরোনামঃ

» যশোরের গ্রাম-শহরে মাদকের ছড়াছড়ি,সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে চালান

প্রকাশিত: ০২. ডিসেম্বর. ২০১৯ | সোমবার

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর জেলা ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়াতে এখানে মাদকের প্রভাব থাকাটাই স্বাভাবিক।সেজন্য প্রতিনিয়ত যশোরের অন্যানো থানাসহ শার্শা উপজেলা অভিযান চালিয়ে প্রতিদিনই ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজা জব্দ করছে পুলিশ।

সীমান্ত থেকে শহর,শহর থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে ইয়াবা। মাদকের ভিতর সব চেয়ে ছোট এই মাদক প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে। ইয়াবার কারণে গ্রামের চিরচেনা দৃশ্যপট বদলে যাচ্ছে। শহর-গ্রামে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘হিমশিম’ খেতে হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম থেকে বিভিন্ন যানবাহনে যশোরে ইয়াবার চালান আসছে। অন্যদিকে শার্শার বেনাপোল, পুটখালি, গোগা, কায়বা,বাহাদুরপুরের আশপাশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা ও ফেনসিডিলের চালান ঢুকছে। প্রায় প্রতিদিন পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যশোরের শহর-গ্রাম থেকে ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজা জব্দ করছে। মাদক কারবারিরা অভিনব কৌশলে মাদক বিক্রির কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে আদালত ও পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু এর পরও মাদকের লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষার্থীসহ গ্রামের নানা পেশাজীবী মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে। এর ফলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।
জানা যায়, বেশির ভাগ যুবকই মাদক-ফেনসিডিল সেবন করে। কোনো কোনো এলাকায় কিশোররাও মাদক সেবন করছে। এদের মধ্যে ছাত্র, শ্রমিক, ইজি বাইকচালকসহ বেকাররাও রয়েছে।

খবর নিয়ে আরো জানা যায়, সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলার গোগা,কায়বা,পুটখালি,বেনাপোল, বাহাদুরপুর ছাড়াও আরো কয়েকটি সীমান্তবর্তী গ্রামে ফেনসিডিল ও ইয়াবার কারবার রয়েছে। কায়বা ইউনিয়নের একজন সমাজপতি বলেন, দূরদূরান্ত থেকে মাদকসেবীরা মোটরসাইকেল চেপে পিঁপড়ার মত সার ধরে।প্রতিদিনই সকাল ও পড়ন্ত বিকাল বেলায় রাস্তায় বসলেই বোঝা যায় যে মাদকের টানে কি ভাবে ছুটছে মাদকসেবিরা।

আদালতের একটি সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে বিচারাধীন মামলার মধ্যে মাদক মামলাই বেশি। মাদক মামলার জন্য মামলাজট বাড়ছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গি নির্মূল করাই আমাদের প্রধান কাজ। অভিযান চালিয়ে প্রতিদিনই মাদকদ্রব্য জব্দের পাশাপাশি কারবারিদের আটক করা হচ্ছে।’
নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান বলেন, ‘সীমান্তবর্তী বেনাপোল পোর্ট থানায় মাদকের মামলাই সবচেয়ে বেশি হয়। সীমান্তবর্তী জেলার কারণে অনেক আগে থেকেই যশোরে মাদকের বিস্তার ছিল। বর্তমানে আমরা মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদককে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি।’
পুলিশ সুপার মঈনুল হক বলেন, ‘যশোর পুলিশের সব ইউনিট মাদক নির্মূলে কাজ করছে। আগের চেয়ে মাদকের বিস্তার কমেছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২৮১ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
রণক্ষেত্র বিয়ে বাড়ি, পাত্রীকে বিয়ের আসরে মারধর! বরযাত্রীদের তাণ্ডবে কার্যত…