শিরোনামঃ

» যশোরে পাসপোর্ট পেতে ভোগান্তি পেতে হচ্ছে

প্রকাশিত: ২০. নভেম্বর. ২০১৯ | বুধবার

যশোরে পাসপোর্ট পেতে ভোগান্তি পেতে হচ্ছে। নির্দিষ্ট দিনে পাসপোর্ট নিতে এসে ফিরে যেতে হচ্ছে আবেদনকারীদের। অফিস থেকে বলা হচ্ছে ‘ঢাকা থেকে এখনো প্রিন্ট হয়ে যশোরে আসেনি। আরও পরে এসে যোগাযোগ করেন।’ একথা শুনে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে পাসপোর্ট প্রত্যাশীদের।

সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, জরুরি পাসপোর্ট সাত কর্মদিবসের মধ্যে পাওয়ার কথা। আর সাধারণ আবেদনকারী পাবেন ২১ দিনের মধ্যে। কিন্তু বাস্তব চিত্র তার উল্টো। কয়েক মাস ধরে পাসপোর্ট অফিসে এমন ধীরগতির কারণে আবেদনকারীরা বিরক্ত। জানা গেছে, সাধারণ ক্যাটাগরিতে ৩ হাজার ৪৫০ টাকা জমা দিয়ে নির্ধারিত ২১ কর্ম দিবসের মধ্যে গ্রাহকদের পাসপোর্ট সরবরাহ করার নিয়ম থাকলেও দেড় থেকে দুই মাস বা তারও বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। জরুরি ক্যাটাগরিতে ৬ হাজার ৯০০ টাকা জমা দিয়ে নির্ধারিত সাত কর্মদিবসের মধ্যে গ্রাহকদের পাসপোর্ট পাওয়ার কথা থাকলেও এক মাসের বেশি সময় লাগছে। যশোর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গেলে প্রতিনিয়ত এ সমস্যার কথা শোনা যাচ্ছে।

শার্শার পাকশিয়া গ্রামের বাসিন্দা ময়না মিয়া স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন স্বজনরা। ভারতে যাওয়ার জন্য জরুরি ফি জমা দিয়ে পাসপোর্টের আবেদন করেন তিন নভেম্বর। ১২ নভেম্বর তার পাসপোর্ট প্রদানের দিন ছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে পাসপোর্ট হাতে না আসায় বিপাকে পড়েন তার স্বজনরা। তার স্বজন তুহিন রহমান জানান, দুই দিন ১২ নভেম্বর ও ১৭ নভেম্বর অফিসে পাসপোর্ট আনতে গেলে প্রিন্টে রয়েছে বলেন ডেলিভারির (প্রদান) দায়িত্বে থাকা কর্মচারীরা।

ঝিকরগাছা উপজেলার কলাগাছি গ্রামের মোনায়েম হোসেনের মেয়ে সুরাইয়া আক্তার পাসপোর্ট পেতে আবেদন জমা দেন ১৩ অক্টোবর। তার পাসপোর্ট প্রদানের তারিখ ছিল ২২ সেপ্টেম্বর। নির্ধারিত দিনের এক মাস আট দিন পরেও তিনি পাসপোর্ট হাতে পাননি।

সাধারণ মানুষের বাইরে সরকারি কর্মকর্তারা পাসপোর্ট পেতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। যশোরের এক সরকারি অফিসের প্রধান (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, নির্ধারিত সময়ের আড়াই মাস পর তার পাসপোর্ট ছাপা সম্পন্ন হয়েছে বলে মেসেজ এসেছে। পাসপোর্ট প্রদানে বিলম্ব বিষয়ে গতকাল যশোর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক সালাহ উদ্দিনকে মুঠোফোনে (সরকারি নম্বরে) একাধিকবার ফোন দেয়া হয়। তিনি মুঠোফোন রিসিভ করেননি। তবে অফিসের এক কর্মচারী বলেন, নতুন পাসপোর্ট তৈরিসহ নবায়নের জন্য প্রায় এক হাজার আবেদন জমা পড়ে। আবেদনগুলো ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকা থেকে প্রিন্ট হয়ে যশোরে আসার পর পাসপোর্ট আবেদনকারীকে দেয়া হয়। ঢাকা অফিসে প্রিন্টারের সমস্যার কারণে পাসপোর্ট ডেলিভারির জট সৃষ্টি হচ্ছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১২৫ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
  বাংলাদেশের টিভি অ’ভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা…