একনেক সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ৫৬৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘যশোর বিমানবন্দর, সৈয়দপুর বিমানবন্দর ও শাহ মখদুম বিমানবন্দর, রাজশাহীর রানওয়ে সারফেসে অ্যাসফল্ট কংক্রিট ওভারলেকরণ’ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রকল্পটির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের কথা উল্লেখ করে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব জানান, রানওয়ের উন্নয়নের প্রকল্পের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- এসব বিমানবন্দরের ব্যবহার যেহেতু বাড়ছে এবং রাতে বিমান ওঠানামা যাতে করতে পারে সেজন্য যে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা সেটা করতে হবে।

এ সময় বিমান মন্ত্রণালয়ের সচিব প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন- তাদের এই পরিকল্পনা আছে।  তারা রানওয়ের উন্নয়নের পরে এ কাজ শুরু করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় অনুশাসনের কথা উল্লেখ করে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- বিমানবন্দরগুলোর ব্যবহার যেহেতু বৃদ্ধি পাচ্ছে, ইকোনমিক জোন হচ্ছে, অন্যান্য কার্যক্রম হচ্ছে, সেহেতু বিমানবন্দরগুলোর যথাযথ উন্নয়ন ও সংস্কার প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন- তার সরকার অনেক বছর ক্ষমতায় আছে। ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় অনেক রাস্তা তৈরি করে ফেলেছি।  ফলে রাস্তা বানানোর জন্য যে বরাদ্দ, সেটার যেন যথাযথ ব্যবহার হয়।

এজন্য মনিটরিং বাড়াতে হবে। আর গ্রামের রাস্তায় ভারী যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।

উন্নয়ন কার্যক্রম হচ্ছে, গ্রাম ও শহরের পার্থক্য কমে যাবে। ফলে গ্রামের রাস্তায় ভারী যানবাহন চলতে পারে, রাস্তাগুলো এখন থেকে সেভাবে নির্মাণ করতে হবে।