শিরোনামঃ

» রামপালে ৪ শিক্ষকের সনদ জালিয়াতির অভিযোগ, মামলাসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু

প্রকাশিত: ১৭. নভেম্বর. ২০২০ | মঙ্গলবার

মোংলা প্রতিনিধি।।রামপালে ৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিবন্ধনের জাল সনদ দিয়ে শিক্ষকতা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৪ জন শিক্ষকের মধ্যে ১ জনের বিরুদ্ধে রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

অন্যদের বিরুদ্ধেও সংশ্লিষ্ট কত্পক্ষ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছেন কতৃপক্ষ। জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারী শিক্ষকরা হলেন, পেড়িখালী পি.ইউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক তরিকুল ইসলাম।

যার শিক্ষক নিবন্ধন ক্রমিক নং ৩১১১০০৪২, ব্যাচ নং-৩ ও সেসন-২০০৭। মল্লিকেরবেড় ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার সহকারি মৌলভী কারিমা খাতুন, যার শিক্ষক নিবন্ধন ক্রমিক নং ১০৭১৬৮৪৯, ব্যাচ নং-৪ ও সেশন-২০০৮।

সুন্দরবন মহিলা কলেজের কম্পিউটার অপারেশন বিভাগের প্রভাষক অসিত বিশ্বাস, যার শিক্ষক নিবন্ধন ক্রমিক নং ৪২৭১৫২২৪, ব্যাচ নং-৬ ও সেসন-২০১০ ও জয়নগর পিপুল বুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইসলাম বিভাগের সহ-শিক্ষক শাহানারা খাতুন, যার শিক্ষক নিবন্ধন ক্রমিক নং-১০৭১৭২১৮, ব্যাচ নং-৪ ও সেশন-২০০৮।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কতৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত রামপালে ২৫৫ জন নিবন্ধনধারী শিক্ষকের সনদ যাচাই বাচাই করা হয়। এর মধ্যে ৪ জনের সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। এনটিআরসিএ এর সহকারি পরিচালক ফিরোজ আহমেদ স্বাক্ষরিত শিক্ষক নিবন্ধন যাচাই সংক্রান্ত এক পত্রে মল্লিকেরবেড় ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার অধ্যাক্ষকে জাল ও ভূয়া সনদধারী কারিমা খাতুনের বিরুদ্ধে মামলা করে সংশ্লষ্টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মল্লিকেরবেড় ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মতিউর রহমান শেখ রামপাল থানায় কারিমা খাতুনের বিরুদ্ধে ১১/১০৪ নং একটি মামলা দায়ের করে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে অবহিত করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জিয়াউল হক জানান, জাল ও ভূয়া সদনধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ ব্যাপারে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না। সচেতন মহল জাল ও ভূয়া সনদধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাসহ আত্মসাতকৃত টাকা দ্রুত সরকারি কোষাগারে ফেরত নেওয়ার দাবী জানান।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান বলেন, রামপালের ৪জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতীর খবর পেয়েছি। এরই মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলাও হয়েছে। তার পরেও এ চারজনের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য উর্ধতন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে আমি মরে করি সনদ জালিয়াতি করে যারা চাকরী নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সরকারী ভাবে কঠর ব্যাকস্তা গ্রহন করা উচিত বলে জানায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩৩ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
বেত্রাবতী ডেস্ক।। শার্শায় ১০০বোতল ফেনসিডিলসহ আনিসুর রহমান (৩৩) নামে এক…