শিরোনামঃ

» শার্শার মহিষাকুড়ায় জমি জালিয়াতি ও জমি ক্রেতার উপর হামলার অভিযোগ

প্রকাশিত: ২৯. এপ্রিল. ২০২১ | বৃহস্পতিবার

বেত্রাবতী ডেস্ক ।শার্শায় জমাজমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সংঘর্ষে প্রাইভেট কার ভাংচুর,দুই লক্ষ টাকাসহ দুটি স্মার্ট ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভুক্ত ভোগীদের লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।এব্যাপার শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে ক্রেতা ফারুক হোসেন।

উপজেলার বাগআঁচড়ার ইউনিয়নের মহিষাকুড়া গ্রামে মুনাজাত মোল্যার ছেলে ইদ্রিস আলী মোল্যা ও রাহাজান মোল্যার ছেলে বাবলু মোল্যাসহ তার নিজেস্ব পেটুয়া বাহিনীর বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তুলেছে উপজেলার সাতমাইল বাজারস্থ আবু দাউদের ছেলে মাংস ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন(৩৫)।

ফারুক শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ বর্ণনা করেন, উপজেলার ১০৬ নং- মহিষাকুড়া মৌজার এস,এ দাগ নং-৯৭৪, আর, এস নং- ২৭৫৯ দাগে ২৮২ শতক এর মধ্যে ১১৭ শতক সম্পতি দলিল নং-২২৬৯ মূলে ক্রয় করি।এবং ২৫ শে এপ্রিল আমার সম্পত্তি বুঝে নেওয়ার সময় বিবাদীগন উক্তি সম্পত্তিতে অনধিকা প্রবেশ করে, আমাকে সম্পত্তি বুঝে দিবেনা বলিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। তখন আমি প্রতিবাদ করতে গেলে ইদ্রিস আলী,বাবলু মোল্যা, জিল্লু, সলেমান, বালুন্ডার বার্তা, রানা, হারুন,মিলন সহ ৭/৮ অজ্ঞাত পেটুয়া বাহিনী হাতে বাঁশের লাঁঠি, লোহার রড দিয়ে আমাকে ও আমার সাথে থাকা আমার এলোপাথাড়ী মারপিট করিয়া শরীরের বিভিন্নভাবে জখম করে।এরপর ইদ্রিস আলী ও বাবলু আমার কাছে থাকা ব্যবসায়ীক নগত ২ লাখ টাকা ও স্মার্ট ফোন কেড়ে নেয়।

ফারুক আরো বলেন, আমাকে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছে ও সাথে প্রাইভেট কারটি ভাংচুর করেছে যার জন্য ১ লাখ টাকার ক্ষতি মত সাধন হয়েছে।উক্ত বিষয়ে আমি আমার পরিবারকে জানালে তারা আমাকে শার্শা থানায় সাধারন ডায়েরী করতে পরামর্শ দেন।

এ বিষয়ে শার্শা থানার এস. আই. মোস্তাফিজুর রহমান জানান,লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয়ের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১০৩ বার

[hupso]