শিরোনামঃ

» শার্শায় শিশু তাহসিনকে চুরি মামলায় দুজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট  

প্রকাশিত: ১৪. জুন. ২০২১ | সোমবার

বেত্রাবতী ডেস্ক।।শার্শায় শিশু তাহসিনকে চুরি মামলায় দুজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পিবিআই।

অভিযুক্তরা হলেন, সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া গ্রামের মিলন গাজীর স্ত্রী মোছা. সালমা খাতুন ও তার শ্বশুর লুৎফর গাজী ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ইনসপেক্টর মো. আব্দুস সালাম।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. জান্নাতুলের একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। যার নাম রাখা হয় তাহসিন।
এর ২৪ দিনের মাথায় বোরকা পরিহিত অজ্ঞাতনামা এক নারী আশরাফুল ইসলামদের বাড়িতে যান। তিনি বাড়ির পরিবারের সদস্যদের একথা বলেন যে, যাদের নতুন বাচ্চা হয়েছে তাদেরকে সরকার ৩ কিস্তিতে ৩০ হাজার টাকা অনুদান দিবে বলে চলে যান।
এরপর চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি সকালে ওই নারী ফের আশরাফুল ইসলামদের বাড়িতে যান এবং শিশুপুত্রের খোঁজ করেন। তখন আশরাফুল ইসলাম তার স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
ওই নারী আশরাফুল ইসলামের বৃদ্ধ পিতা জহর আলী গাজীকে নিয়ে তার শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখান থেকে তিনি মোছা. জান্নাতুল, তার শিশুপুত্র তাহসিন ও শ্বশুর জহর আলী গাজীকে নিয়ে কথিত বাগআঁচড়া অফিসে নিয়ে আসার কথা বলে বের হন।
বাগআঁচড়া বাজারে আসার পর তারা স্থানীয় রিফাত হোটেলে যান। সেখানে মোছা. জান্নাতুল নাস্তা খাওয়ার সময় পাশে শিশু তাহসিনকে কোলে বরে বসেছিলেন অজ্ঞাত পরিচয় ওই নারী। এরই মধ্যে জহর আলী গাজী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হয়ে যান।
এরপর নাস্তা খাওয়া শেষে হাত ধুতে বেসিনে যাওয়ার পর মোছা. জান্নাতুল ফিরে এসে দেখতে পান, তার সন্তানকে নিয়ে অজ্ঞাত পরিচয় নারী পালিয়ে গেছেন।
অনেক খোঁজাখুঁজি করে সন্তানের সন্ধান না পেয়ে মোছা. জান্নাতুলের স্বামী আশরাফুল ইসলাম অজ্ঞাতনামা ওই নারীকে আসামি করে ২০১২ সালের মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ১০ ধারায় শার্শা থানায় একটি মামলা করেন।
পরে চুরি চাওয়া শিশু উদ্ধার ও অভিযুক্তদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৭৯ বার

[hupso]