শিরোনামঃ

» শার্শা সরকারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দূর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত: ০৭. ডিসেম্বর. ২০১৯ | শনিবার

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
শার্শা সরকারী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অর্থের বিনিময়ে পার পেয়ে যাচ্ছে অবৈধ ভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত এ শিক্ষক। আত্মসাত করছেন বিদ্যালয়ের লক্ষ লক্ষ টাকা।
গত ২৯ই আগষ্ট/২০১২ তারিখে দৈনিক সমকাল ও দৈনিক স্পন্দন পত্রিকায় শার্শা সরকারী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শুন্য পদে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় আগ্রহী প্রার্থীকে অবশ্যই স্নাতকোত্তর পাশ হতে হবে। বিষয়টি রেজুলেশনে অন্তভুক্ত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ৭/২/২০১৩ তারিখে বিদ্যালয় পরিচলনা পরিষদ নিয়োগ বিধি ভংগ করে স্নাতকোত্তর পাস সনদ ছাড়াই ডিগ্রি পাস সনদ পত্র দিয়ে প্রধান শিক্ষক পদে সহিদুল ইসলামকে নিয়োগ প্রদান করেন। তার নিয়োগের পর বিদ্যালয়টি অনিয়ম-দূর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত মতে অভ্যন্তরিন অডিটে ০১/০১/২০১৩ ইং হতে ৩১/০৫/২০১৪ তারিখ পর্যন্ত ১২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা আত্মসাত করার প্রমাণ উপস্থাপণ করেন অডিট কমিটি। আরেকটি ৫ সদস্যের আভ্যন্তরিন অডিট টিম গত ২৩/০৯/২০১৮ হতে ৩১/১২/২০১৮ পর্যন্ত ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাথের হিসেব প্রদান করেন। তার কোন ব্যবস্থা নেয়নি বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ। ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ সালের কোন অডিট হয়নি। এই তিন বছরে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
রাজনীতি ও পেশী শক্তির বলে ঐতিহ্যবাহী শার্শা সরকারী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে প্রভাব বিস্তার করে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আত্মাসাত করে চলেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে এসএসসি পরীক্ষার খাতা বিক্রয়, নতুন বই বিক্রয়, কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে অবহেলার কারণে ১৫ দিন হাজত বাস, ঠিকাদারের কাছ থেকে চাঁদা আদায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস কক্ষ থেকে মোবাইল চুরি অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডিজিসহ বিভিন্ন দপ্তরে বিদ্যালয়ের ২৭ জন শিক্ষকের মধ্যে ২৩ জন শিক্ষক স্বাক্ষরি অভিযোগ দিয়েছে। যা তদন্ত চলমান। এ শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিলেও অদ্যবধি বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ ও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্মকর্তা। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন তার বিরুদ্ধে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি পূলক কুমার মন্ডল বলেন অর্থ আত্মসাতসহ তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সাথে সম্বন্বয় করা হয়েছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫৭৯ বার

[hupso]
সর্বশেষ খবর
নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যাপক অনিয়ম, দূর্নীতি, জালিয়াতি ও সাধারণ মানুষদেরকে ঠোকিয়ে…