শিরোনামঃ

» সাতক্ষীরায় পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও শয্যা সংকটে  চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ

প্রকাশিত: ১৩. জুন. ২০২১ | রবিবার

বিশেষ প্রতিনিধি।। সাতক্ষীরায় পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও শয্যা সংকটে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

বর্তমানে জেলায় ৬৮৩ জন কোভিড রোগী রয়েছে। তাদের মধ্যে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫০ জন ও সদর হাসপাতালে ৩৫ জন চিকিৎসাধীন। অন্য রোগীরা প্রাতিষ্ঠানিক ও পারিবারিক কোয়ারেন্টিনে রয়েছে।

সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমণের হার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গতকাল শনিবার ২৪ ঘণ্টায়  ৮১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫২ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। শনাক্তের হার ৬৪ দশমিক ২০ শতাংশ।

তবে এ সংক্রমণের এই পরিসংখ্যানে জেলার প্রকৃত চিত্র উঠে আসছে না।

ইতিমধ্যে জেলার কয়েকটি উপজেলায় র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে দ্রুত করোনা শনাক্তের কাজ শুরু হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেয়া পরিসংখ্যানে এখনও এই শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা যুক্ত করা হয়নি।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়েত জানান, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোভিড রোগীদের জন্য আটটি আইসোলেশন ও ১৩৫টি শয্যা ছাড়াও আট শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) রয়েছে।

এ ছাড়া সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে শয্যা রয়েছে মাত্র ৩৫টি। আরও শয্যা ও জনবল না থাকায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

এদিকে সাতক্ষীরায় দ্বিতীয় দফায় লকডাউনের আজ চলছে দ্বিতীয় দিন ।

রোববার (১৩ জুন)সকাল থেকে ব্যারিকেড বসিয়ে জনসমাগম ও যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে সার্ব ক্ষণিক চেষ্টা করছে জেলা পুলিশ।

এছাড়া খুলনা ও যশোর থেকে সাতক্ষীরায় প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা সত্ত্বেও লকডাউনে খানিকটা ঢিলেঢালাভাব দেখা গেছে।

পুলিশের নজর এড়িয়ে মোড়ে মোড়ে চায়ের দোকানে, হাটে-বাজারে সন্ধ্যার পরও মানুষজনকে আড্ডা দিতে দেখা যাচ্ছে।

যদিও সকাল ৮ থেকে ১১ টা পর্যন্ত শুধুমাত্র জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সুযোগ আছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৯ বার

[hupso]