শিরোনামঃ

» সারাদেশে আজ থেকে ফের করোনা টিকাদান শুরু

প্রকাশিত: ০১. জুলাই. ২০২১ | বৃহস্পতিবার

বেত্রাবতী ডেস্ক।। মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারা দেশে আজ বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে চীনের সিনোফার্মের গণটিকাদান কার্যক্রম।

বুধবার (৩০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত করোনা বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর ও কর্মসূচির পরিচালক ডা. শামসুল হক।

দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল, চট্টগ্রামের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকসাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) হাসপাতাল এবং সৈয়দপুর সদর হাসপাতালে এই টিকাদান করা হবে।

শামসুল হক বলেন, ‘প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। আপাতত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতেই সারা দেশে টিকা দেওয়া হবে।

এক্ষেত্রে সিনোফার্মের টিকা সারা দেশের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতালসহ টিকা কেন্দ্রগুলোতে এবং ফাইজারের টিকা রাজধানীর সাতটি কেন্দ্রে দেওয়া হবে।

রাজধানীতে ইতোপূর্বে ৪৮টি কেন্দ্রে টিকাদান করা হলেও এ মুহূর্তে ৮টি বাদে ৪০টি কেন্দ্রে পূর্বের মতো একই সময়ে একই নিয়মে টিকাদান কার্যক্রম চালু হবে।’

শামসুল হক আরও বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া প্রথম ডোজের টিকা কার্যক্রমের অগ্রাধিকার তালিকায় যারা আছেন তারা আগে টিকা পাবেন।

বিশেষ করে আমাদের মেডিকেল, নার্সিং ও ম্যাটস শিক্ষার্থীরা টিকা পাবেন। একই সঙ্গে আমাদের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, পুলিশ বাহিনীর লোকজন ও অন্যান্য অগ্রাধিকার কর্মীরাও টিকা নিতে পারবেন।’ এ ছাড়া যারা আগেই নিবন্ধন করে টিকা নিতে পারেননি তারা নিতে পারবেন বলে জানান তিনি।

এর আগে মঙ্গলবার (২৯ জুন) সকালে জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় ভ্যাকসিনের বন্দোবস্ত হয়ে গেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী মাসেই বিভিন্ন উৎস থেকে বিপুল পরিমাণ ভ্যাকসিন দেশে আসবে এবং গণটিকা কার্যক্রম শুরু করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা হয়ে গেছে। এখন আর কোনো সমস্যা হবে না। চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ভ্যাকসিন আসবে। জুলাই থেকেই আবারও শুরু হবে গণটিকা দান।

শেখ হাসিনা বলেন, ভ্যাকসিন সংগ্রহে যত টাকাই লাগুক না কেন আমরা সেই টাকা দেব। ১৪ হাজার কোটি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ভ্যাকসিন বাজারে আসার আগে থেকেই আমরা যোগাযোগ রেখেছি।

৮০ শতাংশ মানুষকেই ভ্যাকসিনেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ভ্যাকসিনেশনের মাধ্যমেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৭ জানুয়ারি করোনার টিকা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ওই দিন ২১ জনকে টিকা দেওয়া হয়। পরদিন রাজধানীর ৫টি হাসপাতালে ৫৪৬ জনকে পর্যবেক্ষণ মূলক টিকা দেওয়া হয়েছিল।

এরপর গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী গণ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথম টিকা নেওয়ার ৬০ দিন পর ৮ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে।

দেশে টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তিদের মধ্যে এখনো তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১০০ বার

[hupso]