শিরোনামঃ

» হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন মেয়র আব্বাস আলী

প্রকাশিত: ১০. জুলাই. ২০২১ | শনিবার

শেখ শিবলী সরকার, রাজশাহী ব্যুরো।।আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন বলেছেন, দেশের সংকটময় মুহুর্তে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবিত অবস্থায় এটাই করে গেছেন। এখন তার সুযোগ্য কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেটা কাজটাই করা হচ্ছে।

শুক্রবার রাতে কাটাখালীতে হাজারো অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের কর্মহীন হয়েপড়া ১ হাজার ২০০ অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ১৫ কেজি করে চাল, ৫ কেজি আলু, ১ কেজি মসুর ডাল ও আধা লিটার সরিষার তেল বিতরণ করা হয়।

জেলা প্রশাসন ও কাটাখালী পৌরসভার যৌথ অর্থায়নে কাটাখালীর মাসকাটা দীঘি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামাল হোসেন আরও বলেন, যারা বড় বড় কথা বলেন এখন পর্যন্ত তারা ত্রাণ, মাস্ক কিংবা অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি।

মানুষ যাতে না খেয়ে না থাকে সেজন্য দেশের নির্বাচিত মেয়ররা অসহায়দের পাশে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে দাঁড়িয়েছেন। সবাই স্বাস্থ্য বিধি চলবেন, আপনাদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর এটাই চাওয়া।

পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, আমি চাই আমার পৌরসভার প্রতিটি মানুষ মাস্ক ব্যবহার করুক, সচেতনতার সাথে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুক।

করোনা মোকাবেলায় কাটাখালি পৌরসভার কৌশল গত কারণে অনেক জায়গায় প্রশংসিত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন বিভীষিকাময় পরিস্থিতির পার করছে।

প্রতিদিনের মৃত্যুর রেকর্ড প্রতিদিনই ভাঙছে। এই লকডাউনে সবচেয়ে বেশি যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদেরকেই প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেয়ার ক্ষেত্রে।

করোনার তৃতীয় ঢেউয়েও কাটাখালিতে কেউ মারা যায়নি। কাটাখালীবাসীর সচেতনতায় এটা সম্ভব হয়েছে। প্রত্যেকের হাতের নাগালে স্যানিটাইজার, মাস্ক রাখা হয়েছে।

আগামী সাতদিন বাংলাদেশের সবচাইতে ভয়ঙ্কর দিন। আমার কাছে মনে হয়েছে সংক্রমণ ও মৃত্যুহার বেড়ে যাবে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকে সচেতন থাকতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে রাজশাহী-৩ আসনের সাংসদ আয়েন উদ্দিনের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সকলের নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি। তবে তিনি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে অংশনেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, ব্যবসায়ীসহ গণ্যমান্যব্যক্তিবর্গ।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫৫ বার

[hupso]