মুজিববর্ষ

» শার্শার দীঘায় দুই সন্তানকে নিয়ে গৃহবধূ আত্মহত্যা প্ররোচনায় ৫জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

প্রকাশিত: ০৯. ফেব্রুয়ারি. ২০২০ | রবিবার

বেত্রাবতী ডেস্ক : শার্শার দীঘা গ্রামের গৃহবধূ হামিদা খাতুন ও দুই সন্তান আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় ৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ তাসমীম আলম।

অভিযুক্ত আসামিরা হলেন দীঘা গ্রামের আরাফাত আলী সরদার ও তার স্ত্রী মরিয়ম বেগম, জহর আলীর ছেলে ডা. মমতাজ মজিদ, চালিতাবাড়িয়া গ্রামের মেনহাজ উদ্দিনের ছেলে তপন মোল্লা ও মৃত সলেমান মন্ডলের ছেলে সিদ্দিক হোসেন মন্ডল।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০০৬ সালের শার্শার রুদ্রপুর গ্রামের মৃত গোলাম আলী গাজীর মেয়ে হামিদা খাতুনকে বিয়ে করেন ইব্রাহিম। ইব্রাহিম তার স্ত্রী-সন্তান ও পিতা-মাতার সাথে একইসাথে বসবাস করতেন। অভাব অনটনের সংসারে মাঝেমধ্যে শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে হামিদা খাতুনের ঝগড়া বিবাদ হতো। ছেলে ইব্রাহিমের সাথে তার পিতা-মাতার ভালো সম্পর্ক ছিলনা। প্রায় তাদের বাড়িতে মজিদ, তপন ও সিদ্দিক বেড়াতে আসতেন।

বিষয়টি এলাকার লোকজন ভালো চোখে দেখত না। ঘটনার কয়েকদিন আগে তারা বাড়িতে বেড়াতে আসেন। এদিন তারা যেন আর এ বাড়িতে বেড়াতে না আসে বলে নিষেধ করেন ইব্রাহিম। এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হন ইব্রাহিমের পিতা-মাতা। ২০১৯ সালের ২৬ মে তপন ও সিদ্দিকের লিজ নেয়া পুকুরে হামিদা খাতুনের হাঁস নামে। এ সময় তপন, সিদ্দিক ও তার শাশুড়ি গালিগালাজ ও মরতে বলে হামিদাকে। হামিদা খাতুন অভিমান করে দুপুরের নিজ ঘরে দুই সন্তান শরিফা খাতুন ও তানজির আহম্মেদকে নিয়ে গ্যাস ট্যাবলেট খান। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পর তিনজনই মারা যায়।

২৭ মে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে হামিদা খাতুনের মা শার্শা থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও স্বাক্ষীদের বক্তব্যে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় ওই ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে অভিযুক্ত তপন ও সিদ্দিককে পলাতক দেখানো হয়েছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২৪ বার

[hupso]