সর্বশেষ খবর :

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১২৩
সুস্থ
৩৩
মৃত্যু
১২

বিশ্বে

আক্রান্ত
১,৩২৯,৮২৫
সুস্থ
২৭৭,৬৪০
মৃত্যু
৭৩,৮৩৯

»  নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে যশোরে ৫৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে

প্রকাশিত: ১৯. মার্চ. ২০২০ | বৃহস্পতিবার

বেত্রাবতী ডেস্ক : যশোরে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ৫৯জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।বুধবার একদিনেই ৩৫জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে।

এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আইসিডিডিআরবি’র একটি টিম গতকাল যশোরে এসেছেন। তারা জেলা প্রশাসকের সাথে সভা করেছেন। পরে সিভিল সার্জনের সাথে সাক্ষাত করেন এবং যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।

সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানিয়েছেন, গতকাল পর্যন্ত যশোরে কোয়ারেন্টাইনে রাখা ব্যক্তিদের সংখ্যা ছিল ৫৯ জন।

সিভিল সার্জন অফিসের রোগ তত্ত্ব ও নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মকর্তা ডা. মাশহুরুল হক জানিয়েছেন, কোয়ারেন্টাইনে রাখা ব্যক্তিদের সংখ্যা যশোর সদর ও মনিরামপুর উপজেলায় বেশি। এ দু’উপজেলায় ১২ জন করে ২৪ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। চৌগাছা উপজেলায় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে ৯ জন।

এছাড়া শার্শা উপজেলায় ১০ জন, অভয়নগর উপজেলায় ৭ জন, ঝিকরগাছা উপজেলায় ৮ জন ও কেশবপুর উপজেলায় ১ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। গত ১৭ মার্চ কোয়ারেন্টাইনে রাখা ব্যক্তিদের সংখ্যা ছিল ২৪ জন।

একদিনের ব্যবধানে ৩৫ জন বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৫৯ জনে। এদিকে, করোনাভাইরাসের প্রস্তুতি ও পরিস্থিতি পরিদর্শনে আইসিসিডিআরবি’র একটি উচ্চ পর্যায়ের টিম গতকাল যশোরে এসেছে। এ টিমে রয়েছেন ৭ জন। ৩টি জীপে তারা আসেন।

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় জানিয়েছেন, গতকাল বেলা ১১টার দিকে ওই টিমের সদস্যরা হাসপাতালে আসেন। তারা এ হাসপাতালে করোনাভাইরাস সম্পর্কে কি প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বেড কেমন করা হয়েছে তা পরিদর্শন করেন এবং এ সম্পর্কে মতামত ব্যক্ত করেন।

সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, আইসিসিডিআরবি’র ওই টিম তার অফিসে দেখা করেন এবং প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত হন। পরে তারা যশোর জেলা প্রশাসকের সাথে সভা করেন। সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন ও তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ও প্রস্তুতি নিয়ে সভায় আলোচনা হয়। ডা. মাইকেল এস ফিরেডম্যান ও ডা. ইকবাল আনোয়ার করোনাবাইরাসের বিস্তার ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

ডা. মাইকেল এসফিরিডম্যান কিছু পরামর্শ দেন। হাসপাতালের বহিঃবিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা ঠান্ডা, কাঁশি, সর্দি ও জ্বরে আক্রান্তদের পৃথক স্থানে পৃথক লাইনে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রেখে চিকিৎসা ও মাক্স ব্যবহারের কথা বলে।

আজ থেকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এ পরামর্শ কার্যকর করা হবে বলে তত্ত্বাবধায়ক জানান।

এদিকে, করোনাভাইরাস সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার জন্য যশোর সিভিল সার্জন গতকাল বিকেলে শহরের দড়াটানা ও এইচএমএম রোডের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এবং পথচারীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করে প্রচারাভিযান শুরু করেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪৯২ বার

[hupso]