শিরোনাম :

» মণিরামপুরে এক প্রান্তিক চাষির দুই বিঘা জমির ফলন্ত শশা গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

প্রকাশিত: ২৩. জানুয়ারি. ২০২০ | বৃহস্পতিবার

মণিরামপুর প্রতিনিধি : মণিরামপুরে এক প্রান্তিক চাষির দুই বিঘা জমির ফলন্ত শশাগাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ধার দেনা করে লাভের আশায় দুই বিঘা জমিতে শশা চাষ করেছিলেন নাদড়া গ্রামের প্রান্তিক চাষি আবদুর রাজ্জাক। ফলনও হয়েছিল ব্যাপক হারে।

আগামী সপ্তাহে বাজারজাত করার কথা ছিল। কিন্তু রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা ক্ষেতের শশাগাছ কেটে সাবাড় করে দেয়ায় চাষির সেই রঙিন স্বপ্ন ফিকে হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার বিকেলে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।

থানার এসআই দেবাশীষ মন্ডল জানান, উপজেলার কাশিমনগর ইউনিয়নের নাদড়া গ্রামের মনির উদ্দিনের ছেলে আবদুর রাজ্জাক স্থানীয় বাজারের একজন খুচরা সারবিক্রেতা।

স্ত্রী ছাড়াও তার সংসারে রয়েছে তিন ছেলেমেয়ে। গ্রামের বাজারে সামান্য ব্যবসা করে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়াসহ সংসারের খরচ নির্বাহ করা তার পক্ষে দুরূহ হয়ে পড়ে।

আবদুর রাজ্জাক জানান, বাড়তি রোজগারের আশায় দুই বিঘা জমি বছরে ২৫ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে এবার তিনি শশার চাষ করেন। ইতোমধ্যে ফলনও ব্যাপকহারে দেখা দিয়েছে।

আগামী সপ্তাহে তিনি বাজারজাত করার আশা করছিলেন। সব মিলিয়ে দুই বিঘা জমিতে শশা চাষে তার খরচ হয়েছে প্রায় এক লাখ টাকা। কিন্তু বুধবার রাতে দুর্বত্তরা রাতের অন্ধকারে ক্ষেতের শশাগাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে। ফলে প্রান্তিক এই চাষি এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

চাষি আবদুর রাজ্জাকের ধারণা, পূর্বশক্রতার জের হিসেবে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটাতে পারে।

উপজেলা কৃষি অফিসার হীরক কুমার সরকার ভুক্তভোগী চাষিকে আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দিয়ে আগামীতে ওই চাষিকে চাষে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন।

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার বিকেলে আবদুর রাজ্জাক থানায় অভিযোগ করেন।

মনিরামপুর থানার ওসি(তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান জানান, বিষয়টি তদন্ত করতে এসআই দিবাশীষ মন্ডলকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্তের পর যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৮১৩ বার

[hupso]