» করোনাভাইরাস রোধ করবে ঘরোয়া টোটকা!

প্রকাশিত: ০৩. ফেব্রুয়ারি. ২০২০ | সোমবার

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের সংক্রমণে চীনে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বব্যাপীও এ নিয়ে আতঙ্ক তৈরী হয়েছে। করোনাভাইরাস ঠেকানোর দাওয়াই আগেই দিয়েছিল হোমিওপ্যাথি।

এবার এই মারণ ভাইরাসের মোকাবেলায় ঘরোয়া টোটকার হদিস দিল আয়ুর্বেদ। এটা হলো আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০। খালি পেটে দিনে দুবার পরপর তিনদিন খেতে হবে এই হোমিওপ্যাথি ওষুধ।

সম্প্রতি ভারতের ‘সেন্ট্রাল কাউন্সিল ফর রিসার্চ ইন হোমিওপ্যাথি’ (সিসিআরম) -এর ‘সায়েন্টিফিক অ্যাডভাইজরি বোর্ড’ এমনই পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রণালয়কে।

তাঁদের দাবি, এই ওষুধ শুধু করোনা নয়, সর্দিকাশির জন্য দায়ী যাবতীয় জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি ঘাড়ের উপর এসে পড়া বিপদের ঘরোয়া প্রতিষেধকের হদিস দিয়েছেন আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরাও।

শ্যামাদাস বৈদ্যশাস্ত্র পীঠের অধ্যাপক ডা. প্রদ্যোৎবিকাশ কর মহাপাত্র জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস মূলত শ্বাসযন্ত্রের উর্ধ্বনালিকায় ছোবল দেয়। এর মোকাবিলায় সাধারণত অ্যান্টি অ্যালার্জিক প্রয়োগ করা হয়। যাতে অ্যালার্জি কমলেও সংক্রমণ রুখতে ভরসা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই। আয়ুর্বেদ ওষুধ কিন্তু জ্বালা, যন্ত্রণা, কষ্টের সঙ্গে সংক্রমণকেও কমায়।

প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়ে রোগীকে জীবাণুর সঙ্গে লড়াইয়ের রসদ জোগায়। যেমন লক্ষ্মীবিলাস বড়ি। আয়ুর্বেদের এই ধ্রুপদী ওষুধ সংক্রমণকে একই জায়গায় আটকে রাখে। ফলে তা শ্বাসযন্ত্রের উর্ধ্বনালি থেকে নিম্ননালি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না। তাছাড়া যে সব নালি সংক্রমণের দরুণ বন্ধ হয়ে যায়, তা-ও খুলে দেয়।

তবে হোমিওপ্যাথি হোক বা আয়ুর্বেদ, সবারই বক্তব্য, এই সব প্রতিরোধক নিতে হবে ভাইরাস হামলার আগে। সেই সঙ্গে দরকার কিছু সাবধানতা। যার মধ্যে অন্যতম, খাবার গরম করে খাওয়ার অভ্যেস।

বিজ্ঞান বলছে, ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় জীবাণু সাধারণত বাঁচতে পারে না। কাজেই গরম খাবার খেলে বিপদ অনেকটাই ঠেকানো যায়। তাছাড়া বারবার হাত ধুতে হবে, খাওয়ার আগে তো বটেই।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৯৮ বার

[hupso]