শিরোনাম :

» রপ্তানি কমেছে আট মাসে ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ

প্রকাশিত: ০৭. মার্চ. ২০২০ | শনিবার

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস থেকে প্রবৃদ্ধির যে নেতিবাচক ধারা চালু হয়েছিল, আট মাস শেষেও তা কাটিয়ে ওঠা যায়নি। অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি আট মাসে বিশ্ববাজারে ২ হাজার ৬২৪ কোটি ১৮ লাখ ৩০ হাজার ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ।

যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে রফতানি হয়েছিল ২ হাজার ৭৫৬ কোটি ২৭ লাখ ৯০ হাজার ডলারের পণ্য। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ১৩২ কোটি ৯ লাখ ৬০ হাজার ডলারের রফতানি কম হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যের ভিত্তিতে হালনাগাদ রফতানি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। ইপিবির হিসাবে চলতি অর্থবছরের আট মাসে রফতানি কমেছে ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রফতানির নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির এ ধারা শুরু হয়, আট মাস শেষেও যা অব্যাহত আছে।

গত পাঁচ অর্থবছরের প্রথমার্ধের রফতানি পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতি বছরই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারায় ছিল রফতানি। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস শেষে রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ। ২০১৬-১৭-তে প্রবৃদ্ধি হলেও তা আগের অর্থবছরের চেয়ে কমে হয় ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ২০১৭-১৮-তে রফতানি প্রবৃদ্ধি হয় ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রফতানি প্রবৃদ্ধি হয় দুই অংকের, ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। সর্বশেষ চলতি অর্থবছরের আট মাসে রফতানি প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ইতিবাচক। জুলাইয়ে রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। জুলাই-আগস্ট দুই মাসে শুরু হয় নেতিবাচক ধারা। ওই দুই মাসে রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ঋণাত্মক শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ।

তিন মাস শেষে প্রবৃদ্ধি ছিল ঋণাত্মক ৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে রফতানি প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ। অর্থবছরের পাঁচ মাস শেষেও রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল নেতিবাচক। জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ঋণাত্মক ৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪১ বার

[hupso]