শিরোনাম :

» শার্শার টেংরায় মাদ্রাসার সাইন বোর্ডে চলছে জামায়াত শিবিরের কর্মতৎপরতা

প্রকাশিত: ১৪. মার্চ. ২০২০ | শনিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
শার্শার টেংরায় একটি ভবণে হাফিজিয়া মাদ্রাসার সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে চলছে জামায়াত শিবিরের কর্মতৎপরতা। মাদ্রাসা শিক্ষার নামে এই জায়গা এখন শার্শা উপজেলার জামায়াত ইসলাম ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্রধান ঘাটিতে পরিণত হয়েছে। এখান থেকে পরিচালিত হচ্ছে জামায়াত শিবিরের সমস্ত কর্মকান্ড। জামতলা – শার্শা সড়কের পূর্ব পার্শ্বে টেংরার জামতলা বাজারের অদূরে অবস্থিত এভবণটি সড়কসংলগ্ন হওয়ায় জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের চোখ এড়িয়ে সহজে ভবনটির ভিতরে ঢুকে চালিয়ে যাচ্চে তাদের সকল পরিকল্পনা। যার সার্বিক দেখভাল করেন বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান। তার নেতৃত্বে এখানে চলছে শার্শা উপজেলাসহ আসে পাশের এলাকায় ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টির তৈরি করার নানা চক্রান্ত। শার্শাসহ যশোর জেলার জামায়াত শিবিরের বহু নেতাকর্মীর আনা গোনা এখানে দেখা যায়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে গোপন বৈঠক। শার্শা উপজেলার জামায়াত শিবিরের কোন কর্মকান্ড চোখে না পড়লেও সম্প্রতি দেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত শিবির গোগায় জঙ্গি মিছিল বের করে। এমিছিলের লোক জন আনা নেওয়া, আশ্রয় দেওয়া ও শেল্টার দেওয়ার ব্যবস্থা করে এই জামায়াত শিবির নেতা হাবিবুর রহমান। শার্শা উপজেলাসহ আসে পাশের এলাকায় নানা ধরণের নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অচেনা লোকজন নিয়ে ঘন ঘন এখানে গোপন বৈঠকও করছেন। এখানে বেড়ে গেছে অচেনা তরুন যুবকদের ব্যাপক আনা গোনা। জামায়াত শিবিরের একাজে যশোর থেকে অর্থ সরবরাহ করে থাকেন কয়েক জন জামায়াত নেতা। যার পুরো অর্থ খরচ খরচা ভাগ বাটোয়ারা করে থাকেন এখানে সার্বিক তত্বাবর্ধনে থাকা বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান। এছাড়া এখানে পরিচালকের দায়িত্বে নিয়জিত আছেন টেংরা গ্রামের হোসেন আলী মুনশির ছেলে শিবির ক্যাডার আব্দুল হাকিম। সূত্র জানায় আব্দুল হাকিমের ভাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি একাধিক নাশকতা মামলার আসামী আব্দুল আহাদ গোপনে গভীর রাতে এখানে আসা যাওয়া করে। আর জামায়াত শিবিরের এহেন কর্মকান্ডের প্রকাশে ইন্ধন দিচ্ছে টেংরা গ্রামের সাবেক মেম্বর ফারুক হোসেন।এমতাবস্থায় ভবিষ্যৎ বড় ধরণের নাশকতা থেকে শার্শা উপজেলাকে বাঁচাতে সচেতন মহল প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৬৫ বার

[hupso]