» যৌনতা উস্কে দেয়ার দায়ে গ্রেপ্তার দুই টিকটক তারকা ও নৃত্যশিল্পী

প্রকাশিত: ২৯. এপ্রিল. ২০২০ | বুধবার

বিদেশ ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দুই জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী তরুণীকে গ্রেপ্তারের পর মিশরীয় আইন প্রণেতারা  ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপগুলোতে কঠোর নজরদারি করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেছেন এসব ভিডিও অনৈতিকতাকে উস্কে দেয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

ইনস্টাগ্রাম এবং টিকটকের জনপ্রিয় মুখ ২০ বছর বয়সী মিশরীয় হানেন হোসামকে ১৫ দিনের জন্য আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি মহিলাদেরকে অর্থের বিনিময়ে ভিডিও সম্প্রচার করতে উৎসাহিত করেছেন। অন্যদিকে, আর এক মিশরীয় নৃত্যশিল্পী সামা আল-ম্যাসরিকেও ‘অশ্লীল’ ফটো এবং ভিডিও পোস্ট করার জন্য ১৫ দিনের জন্য আটক করা হয়েছে।

হোসামকে গ্রেপ্তারের কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, তিনি মহিলাদেরকে উদ্বুব্ধ করেছেন ইন্সটাগ্রামে ভিডিও পোস্ট করে কিভাবে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভিডিও নির্মাতা প্লাটফর্ম লিকি যার মালিকানা চায়না জয়ী ইনকো. থেকে ৩ হাজার ইউএস ডলার আয় করা যায় সে সম্পর্কে ধারনা দিয়ে। আর এ থেকে মিশরীয় কর্তৃপক্ষ মনে করছেন এমন পোস্টের ফলে গরীব, সুবিধাবঞ্চিত মহিলারা অশ্লীল ভিডিও ও অনৈতিক অনলাইন যৌনতার দিকে ঝুঁকে পড়বেন। অবশ্য হোসাম তার বিরুদ্ধে আনা এ অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন।

আর সামা আল- ম্যাসরিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তার যৌনতা নির্দেশক ছবি পোস্ট করার জন্য। কিন্তু তিনিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বলেছেন তার সম্মতি ছাড়াই তার ফোন থেকে এসব ছবি চুরি করে কে বা কারা পোস্ট করেছে।

এদিকে এমপি জন তালাত তরুণরা ‘অনৈতিক’ এবং ‘অনুপযুক্ত’ ভিডিও পোস্ট করার জন্য যে অ্যাপ্লিকেশনগুলো ব্যবহার করে সেগুলোতে নজরদারি ও সেন্সরশিপ বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী মোস্তফার কাছে একটি লিখিত অনুরোধ জমা দিয়েছেন।

‘নজরদারি না থাকার কারণে কিছু লোক এই অ্যাপগুলোকে এমনভাবে ব্যবহার করছে যা জনসাধারণের নৈতিকতা এবং মিশরের রীতিনীতি এবং ঐতিহ্য লঙ্ঘন করে,’ তালাত ফেসবুকে বলেছেন।

যদিও প্রধানমন্ত্রী এমপি তালাতের লিখিত অনুরোধের কোন জবাব দেননি। ২০১৮ সালে মিশরে সাইবার ক্রাইম আইন এবং মিডিয়া রেগুলেশান আইন পাশের মাধ্যমে ইন্টারনেট, তথ্য প্রযুক্তি ও সোশ্যাল মিডিয়ার উপরে  সরকারের কর্তৃত্ব ও নজরদারির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আরোপিত হয়।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫২ বার

[hupso]