শিরোনাম :

» করোনায় দেশে আজ সর্বোচ্চ শনাক্ত ১৬১৭জন, মৃত্যু ১৬জন,মোট মৃত্যু ৩৮৬

প্রকাশিত: ২০. মে. ২০২০ | বুধবার

দেশে মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ৩৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৬১৭ জন।

এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৬ হাজার ৭৩৮ জনে।

আজ বুধবার (২০ মে ২০২০) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি নতুন একটিসহ মোট ৪৩টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্তে আরও ১০ হাজার ২০৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো দুই লাখ ৩ হাজার ৮৫২টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও এক হাজার ৬১৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ হাজার ৭৩৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ১৬ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৮৬ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ২১৪ জন। সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচ হাজার ২০৭ জন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

গতকাল সোমবারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী,   দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্তে আরও নয় হাজার ৯১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় আট হাজার ৪৪৯টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো এক লাখ ৯৩ হাজার ৬৪৫টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও এক হাজার ২৫১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ হাজার ১২১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ২১ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৭০ জনে। সুস্থ হয়েছেন ৪০৮ জন এবং এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪ হাজার ৯৯৩ জন। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানানো হয়, এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের চারজন, ময়মনসিংহ বিভাগে একজন, খুলনা বিভাগে একজন ও বরিশাল বিভাগে একজন। তাদের বয়স বিশ্লেষণে ১১-২০ বছরের মধ্যে একজন, ২১-৩০ দুইজন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৪১-৫০ পাঁচজন, ৫১-৬০ পাঁচজন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে চারজন এবং ৭১-৮০ বছরের মধ্যে দুইজন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ৩২৬ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে ৯৩ জনকে।

করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে। তবে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাস ক্রমে গোটা বিশ্বকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। পৃথিবীর ১২০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া এ মারণ ভাইরাসে মারা গেছে তিন লক্ষাধিক মানুষ।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও। এদিকে ক্রমেই আক্রান্ত সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে ৭ম দফা ছুটি বাড়িয়ে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫১ বার

[hupso]