শিরোনাম :

» শার্শায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ডিলার সাহেবের বিরুদ্ধে ওজনে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত: ২০. মে. ২০২০ | বুধবার

বেত্রাবতী ডেস্ক।।শার্শার সদর ইউনিয়নের চটকাপোতা গ্রামে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ডিলার সাহেব আলীর বিরুদ্ধে ওজনে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী অভিযোগকারীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডলের কাছে তাদের মৌখিক অভিযোগ দিয়েছে।

শার্শা সদর ইউনিয়নে খাদ্য বান্ধবের আওতায় ২৫৯০ জন সূলভ মূল্য কার্ডধারী গরীব অসহায় দু:স্থ ১০টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল কেনে। এই ইউনিয়নে মোট ৫ জন ডিলারশীপ পায়। তার মধ্যে চটকাপোতা গ্রামের সাহেব আলী ৫১৮ টি কার্ডের বিপরীতে চাল বিক্রি করে।

মঙ্গলবার সাহেব আলী ৫৫ টি কার্ডধারীর মধ্যে চাল বিক্রি করে। তবে এসময় ট্যাগ অফিসারের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, স্বরুপদাহ গ্রামের ১৭৭৭ নং সূলভ মূল্য কার্ডধারী নুরজাহান অসুস্থ থাকার সুবাদে তার মা মাজেদা বেগম ৩০০টাকা দিয়ে ৩০ কেজি চাল কেনার পর সন্দেহ হয়।

এসময় তিনি বাইরের একটি দোকানে যেয়ে ওই চাল পরিমাপ করে দেখে বস্তাসহ ২৮.১৪৫ কেজি।

শার্শার আতিকুল ইসলাম জনির অবর্তমানে তার বাবা শুকুর আলীও চাল পরিমাপ করে দেখে বস্তাসহ ২৮.১৫৫ কেজি। পরে উভয়ে একত্রে নির্বাহী অফিসারের নিকট তাদের অভিযোগ দেয়।

ডিলার সাহেব আলী বলেন, খাদ্য গুদাম থেকে ৫১৮ টি কার্ডের জন্য ১৫৫৪০ কেজি চাল দেওয়ার কথা। কিন্তু ৭০০ গ্রাম বস্তার ওজনসহ গড়ে ৪৯.৪৫০ কেজি করে ৩১০ বস্তা চাল দেওয়া হয়। যেখানে প্রায় সাড়ে ৪০০ কেজি চাল কম হওয়ায় আমি হিসাব করে কিছু পরিমাণ চাল কম দিয়েছি। আমাদের হিসাব করে পরে অতিরিক্ত চাল দেওয়ার কথা থাকলেও তা আজও পাইনি। বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদে আমাকে ডেকেছে বিষয়টি নিয়ে।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কি হয়েছে জানা যায়নি।

শার্শা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। এসময় অভিযোগকারীর বক্তব্য শুনি ও বেশ কয়েকটি চালের বস্তা ওজন করে দেখি এবং  প্রতি বস্তায় চাল কম পাওয়া যায়।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডল বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে সাথে সাথে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। অভিযোগের সত্যতা মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৮৯ বার

[hupso]