শিরোনাম :

» বেনাপোল শুক্রবারও আমদানি-রফতানি বাণিজ্য সচল রাখার সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত: ১৭. জুন. ২০২০ | বুধবার

বেত্রাবতী ডেস্ক।। বেনাপোলে ব্যবসায়ী সংগঠন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন করোনা ভাইরাসের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখতে সপ্তাহে অন্যান্য দিনের ন্যায় শুক্রবারও বাণিজ্য সচলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যেও সাথে জড়িত ৫ টি সংগঠনের উপস্থিতি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

সিএ্যান্ডএফ এ্যাাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক লতা বলেন, বর্তমান করোনা ভাইরাস ক্লান্তিকালে প্রায় তিন মাস ধরে এপথে ভারতের সাথে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছিল।

দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বেনাপোল কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে অন্যান্য দিনের ন্যায় শুক্রবারও সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সচল রাখার বিষয়ে একমত পোষন করা হয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের সাধারণ আমদানি কারক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন,  সপ্তাহে ৭ দিন বাণিজ্য সচল রাখতে হলে বেনাপোল বন্দরের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো শুক্রবার খোলা রাখতে হবে। কারণ পণ্য চালান খালাসের সময় এসব ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আমদানি পণ্যের রাজস্বের টাকা ও পন্য ছাড়করনে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র লেনদেন করতে হয়।

অনেক সময় দেখা যায় ব্যাংকগুলো বন্ধ থাকার কারনে বন্দর খোলা রেখেও ব্যবসায়ীদের খুব একটা লাভ হয়না।

জানা যায়, যোগোযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে দেশে স্থলপথে যে পণ্য আমদানি হয় তার ৭০ শতাংস হয়ে থাকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে।

প্রতিবছর এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার আমদানি ও ৮ হাজার কোটি টাকার রফতানি বাণিজ্য হয়ে থাকে।

আমদানি বাণিজ্য থেকে সরকারের প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা এবং রফতানি বাণিজ্য থেকে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হয়ে থাকে।

বর্তমানে খাতা কলমে বেনাপোল বন্দর সপ্তাহে ৭ দিনে ২৪ ঘন্টা কার্যক্রম চালু কথা বলা হলেও শুক্রবারে বন্ধ থাকে।

এছাড়া সরকারী ছুটির দিনও কোন কার্যক্রম হয়না। তবে এখন নতুন ঘোষনায় সপ্তাহে ৭ দিন বাণিজ্য চলবে বলা হচ্ছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩৮ বার

[hupso]